sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » অব্যবহৃত পড়ে আছে বিটিএমসি’র সাড়ে ৬শ' একর জমি!




সাত বছরেও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে পারেনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। সম্পূর্ণ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে বন্ধ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল করপোরেশনের ২৫টি মিলের ৬৩৬ একর জমি। বিরাট সম্ভাবনা থাকার পরও যা কাজে লাগাতে পারছে না সরকার। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য দিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। মন্ত্রী জানান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করে ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি)’র বন্ধ মিলগুলো চালু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার প্রেক্ষিতে তখন বন্ধ মিলগুলো পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)’র মাধ্যমে পরিচালনার জন্য সিদ্ধান্তগ্রহণ করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। কিন্তু প্রায় সাত বছরেও সেখানে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি আনতে পারেনি মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব স্থানে বিটিএমসি’র ২৫টি মিলের ৬৩৬.৩৮ একর জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। বিটিএমসি’র ২৫টি মিলের মধ্যে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ) নীতিগত অনুমোদন পাওয়া ১৬টি মিলের মধ্যে ইতোমধ্যে কাদেরিয়া টেক্সটাইল মিল, ওরিয়ন গ্রুপ ও আহমেদ বাওয়ানী টেক্সটাইল মিলটি কনসোর্টিয়াম অব তানজিনা ফ্যাশন লিমিটেডকে পিপিপি’র মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে। এবার চট্টগ্রামের আর আর টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, ফেনীর দোস্ত টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, মাগুরা টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ও রাজশাহী টেক্সটাইল মিলসের আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে। এসব মিলের জমি পিপিপি’র মাধ্যমে উৎপাদন খাতে ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান লাভবান হবে, অপরদিকে, দেশের জিডিপি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতি আরো সুদৃঢ় হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। মন্ত্রণালয় জানায়, বিশ্বের ইতিহাসে বাংলাদেশই প্রথম পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ-পিপিপি’র মাধ্যমে বন্ধ টেক্সটাইল মিলগুলোকে চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বন্ধ এসব মিলগুলো আবার চালু করা গেলে এসব শিল্প-প্রতিষ্ঠানে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এ জন্যই, সরকার পর্যায়ক্রমে দেশের সকল বন্ধ টেক্সটাইল মিলগুলো পিপিপি’র মাধ্যমে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এ সময় বস্ত্র ও পাটসচিব লোকমান হোসেন মিয়া জানান, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরের জন্য শিল্পায়নের কোন বিকল্প নাই। পাশাপাশি বেকার সমস্যা দ্রুত দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে শিল্পায়নের মাধ্যমে কমর্সংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় বিজেএমসি ও বিটিএমসির মিলগুলো পিপিপি মডেলের মাধ্যমে উৎপাদনের ধারায় ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন তিনি। অনুষ্ঠানে, শিল্পকারখানার ইউটিলিটি সমস্যার সমাধানে সরকারে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও নিশ্চিত করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্দর ও যোগাযোগ ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নয়ন এই সরকারের আমলেই হয়েছে। বস্ত্রখাতের উদ্যোক্তা, স্টেকহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যখনই বস্ত্রখাতে কোন সমস্যা হয়েছে তখনই বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহযোগিতা করেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বেগম সুলতানা আফরোজ, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল কর্পোরেশন- বিটিএমসি’র চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেন ছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন, বস্ত্র উৎপাদন ও বস্ত্র বিপণনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply