sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » গোলাপি শালিক (বৈজ্ঞানিক নাম: Strunus roseus)[৫০]




মহসিন আলী আঙ্গুর// গোলাপি শালিক Rozy starling.jpg গাছের ওপর গোলাপি শালিক সংরক্ষণ অবস্থা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১)[১] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: কর্ডাটা শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Passeriformes পরিবার: Sturnidae গণ: Sturnus (but see text) প্রজাতি: S. roseus দ্বিপদী নাম Sturnus roseus (Linnaeus, 1758)

প্রতিশব্দ Pastor roseus নিবন্ধ দেখুন। গোলাপি শালিক (বৈজ্ঞানিক নাম: Strunus roseus), গোলাপি কাঠশালিক বা লাল ময়না Sturnidae (স্টার্নিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Sturnus (স্টার্নাস) গণের অন্তর্গত এক প্রজাতির মাঝারি গায়ক পাখি।[২][৩][৪] অনেক সময় প্রজাতিটিকে Pastor গণের অন্তর্গত বলে মনে করা হয়।[৫] গোলাপি শালিকের বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ গোলাপি কাঠশালিক (লাতিন: sturnus = কাঠশালিক, roseus = গোলাপি)।[৪] পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ১৬ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার।[৬] বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা ক্রমেই কমছে, তবে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যেয়ে পৌঁছেনি। সেকারণে আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে ঘোষণা করেছে।[১] বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয় নি।[৪] এরা উঁচু ও খাড়া পর্বতের গায়ে গর্ত করে বা ফাটলে গাঙ শালিকের মতো দল বেঁধে বিশাল কলোনি তৈরি করে বাসা বানায়। স্ত্রী শালিক তাতে তিন থেকে পাঁচটি ফিকে নীল রঙের ডিম পাড়ে।[২] আকার গোলাপি শালিকের ডিম গোলাপি শালিক আকারে ভাত শালিক, ঝুঁটি শালিক বা গো শালিকের মতোই; প্রায় ২৩ সেন্টিমিটারের মত লম্বা। আর ওজন প্রায় ৬৪ গ্রাম। প্রাপ্তবয়স্ক গোলাপি শালিকের দেহের গোলাপি রঙের জন্য সহজেই অন্য প্রজাতির শালিক থেকে আলাদা করে চেনা যায়। এদের মাথা, মুখমণ্ডল, ঘাড়, গলা, ডানা ও লেজ চকচকে কালো। পিঠ, বুক, পেট ও তলপেট হালকা গোলাপি। ঠোঁট, পা ও নখ ফ্যাকাশে কমলা।[২] আবাস গোলাপি শালিকের মূল আবাস এলাকা মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়া।[২] খাদ্য গোলাপি শালিক পোকামাকড়, ফল, ফুল-ফলের রস, শস্যদানা ইত্যাদি খেতে পছন্দ করে। আর তাই খাবারের খোঁজে চষা জমি, ফুল বা ফলের বাগানের আশপাশে ঘুরে বেড়ায়।[২] স্বভাব গোলাপি শালিক পারিবারিক বা বড় দলে কৃষিজমি, স্যাঁতসেঁতে তৃণভূমি, ফুল-ফলের বাগান ও কাঁটা ঝোপে বিচরণ করে। এরা পরিষ্কার ও উচ্চ স্বরে ডাকে।[২] প্রজনন গোলাপি শালিক সাধারণত মে থেকে জুন মাসে প্রজনন করে। স্ত্রী-পুরুষ দেখতে একই রকম। শুধু প্রজনন মৌসুমে পুরুষের দেহের রং কিছুটা উজ্জ্বল হয় ও মাথার ঝুঁটিটিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ঝুঁটি কিছুটা ছোট হয়।[২]






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply