sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ঝুঁটিশালিক (বৈজ্ঞানিক নাম:Acridotheres fuscus)[69]




মহসিন আলী আঙ্গুর// ঝুঁটিশালিক Jungle Myna (Acridotheres fuscus) on Kapok (Ceiba pentandra) in Kolkata I IMG 1340.jpg সংরক্ষণ অবস্থা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১)[১] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: কর্ডাটা শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Passeriformes

পরিবার: Sturnidae গণ: Acridotheres প্রজাতি: A. fuscus দ্বিপদী নাম Acridotheres fuscus (Wagler, 1827) ঝুঁটিশালিক (বৈজ্ঞানিক নাম:Acridotheres fuscus) শালিক প্রজাতির পাখি। ঠোঁটের গোড়ায় খাড়া ঝুঁটি আছে বলে এমন নাম। বাসা বানায় খড়কুটো, শুকনো ঘাস, পাটের আঁশসহ বিভিন্ন রকম লতাপাতা দিয়ে। শালিকেরা কিচিরমিচির শব্দ করে ডাকে।[২] প্রাপ্তিস্থান ঝুঁটিশালিককে সাধারণত দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে দেখা যায়। খাদ্য ঝুঁটিশালিকের খাদ্যতালিকায় আছে: ধান, চাল, গম, ফড়িং, ঝিঁঝি পোকা, ছোট ব্যাঙ, কেঁচো, জলপোকা, মাকড়সা, উড়ন্ত উইপোকা, বট-অশ্বত্থের ফলসহ বিভিন্ন রকমের ফল, তাল-খেজুরের রস, শিমুল-মাদার ফুলের মধু প্রভৃতি।[২] আকার শরীরের রং কালচে বাদামি, মাথা কালো, চোখ লাল, চোখের চারপাশের রং হালকা লাল ও মণি গাঢ় হলুদ। ঠোঁট হলুদ, পা কমলা-হলুদ। দেহের ওপরের পালক ধূসর ছাই রঙের। পালকের শেষ প্রান্তে সাদার আভা। পেট ধূসর পাটকিলে। লেজের তলা সাদা।[২] স্বভাব ঝুঁটিশালিক খুব চেঁচামেচি করে ডাকাডাকি করে।[২] প্রজননকাল ঝুঁটিশালিক ডিম দেয় দুই থেকে পাঁচটি, রং হালকা নীল। বাচ্চা ফোটানোর সময় এরা আনন্দে মেতে ওঠে। একই বাসায় পরপর দুবার বাচ্চা ফোটায়।[২] তথ্যসূত্র BirdLife International (২০১২)। "Acridotheres fuscus"। বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2012.1। প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১২। স্মৃতিমন্দিরে সুখস্বর্গ!,সাহাদাত পারভেজ, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২৭-০২-২০১১ খ্রিস্টাব্দ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply