sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » শহীদ মিনারে সৈয়দ আবুল মকসুদকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা




খ্যাতিমান কলামিস্ট, গবেষক, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদকে আজিমপুর গোরস্থানে দাফন করা হবে। এর আগে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হলে তার প্রতি সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। সেখানে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বাংলাদেশের পতাকা দিয়ে তাকে আচ্ছাদিত করেন। তারপর থেকে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু করে। এসময় সৈয়দ আবুল মকসুদের প্রতি সম্মান জানিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, সিপিবি, বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টি, ক্ষেত মজুর সমিতি, ভাসানী পরিষদ, ঐক্য ন্যাপ, বাসদ, ছাত্র ফেডারেশন, বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং ব্যক্তি পর্যায়ের সর্বস্তরের মানুষ। এসময় কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে তার লেখা অপরিসীম। তার লেখায় বর্তমান প্রজন্মের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি বাঙালির হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবেন। আমরা তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বলেন, তিনি সাংবাদিকতার পাশাপাশি লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন। উনি এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি তার লেখনীর মাধ্যমে প্রতিবাদ করেছেন পাশাপাশি রাজপথে নেমে প্রতিবাদ করেছেন। তিনি প্রতিবাদী বুদ্ধিজীবী ছিলেন। বাংলাদেশের মানুষ তাকে স্মরণ রাখবে। তার অকাল আকস্মিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার ছেলে নাসিফ মকসুদ বলেন, তিনি এদেশের প্রতিটি আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। আপনারা এখানে যারা শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন। আপনারা তার সাথে কাজ করেছেন। আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। আপনারা তার আত্মার মাগফেরাত এর জন্য দোয়া করবেন। সৈয়দ আবুল মকসুদ গতকাল মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। স্কয়ারের ইমার্জেন্সি আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. ফয়সাল হক বলেন, যখন ওনাকে আমরা পাই, ওনার মাঝে জীবনের কোনো চিহ্ন ছিল না। পরে ইসিজিসহ কিছু পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয়। তারপর সন্ধ্যা ৭টা ৯ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, দুপুর আড়াইটায় তার মরদেহ স্কয়ার হাসপাতাল থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবে নেওয়া হয়। সেখানে সাংবাদিকরা শ্রদ্ধা জানানোর পর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয় সেখানে নাগরিকদের শ্রদ্ধা জানানো শেষে বাদ আছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply