sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » এয়ারলাইন্সগুলোর ৭ মাসের সারচার্জ মওকুফ




এয়ারলাইন্সগুলোর ৭ মাসের সারচার্জ মওকুফ (ভিডিও) অ্যারোনটিক্যাল ও নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জে ছাড় পেলো বিমান সংস্থাগুলো। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান জানান, করোনা মহামারিতে বিমান সংস্থাগুলোর ক্ষতির কথা চিন্তা করে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার্জ মওকুফ করা হয়েছে। তবে বিমান সংস্থাগুলো ১ বছরের জন্য ছাড় চেয়েছিলো। যা পেয়েছে তাতেই খুশি তারা। করোনা মহামারিতে দীর্ঘ সময় ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিলো বিমান সংস্থাগুলো। এই সময়ে আয় না থাকলেও খরচ ছিলো স্বাভাবিক সময়ের মতোই। ফলে বিপর্যের মুখে পড়ে দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো। দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসলেও শেষ পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটে অ্যারোনটিক্যাল চার্জে ৭ মাসের পূর্ণ ছাড় পেয়েছে দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান জানান, চার্জ মওকুফের ফলে করোনায় বিপর্যস্ত এয়ারলাইন্সগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবে। এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, অ্যারোনটিক্যাল চার্জগুলো আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরাপুরি মওকুফ করা হয়েছে, শুধু ডোমেস্টিক এয়ারলাইন্সগুলোর। আজকে নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জও তাদের মওকুফ দিয়েছি, সেটা হলো তাদের ৩ থেকে ৪ মাস। এয়ারলাইন্সগুলোর আরও বেশি ছাড়ের দাবি থাকলেও সরকার যেটা ভালো মনে করেছে তাই করা হয়েছে। এর ফলে বেবিচক ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, কয়েকটা প্রস্তাব ছিল, এর মধ্যে যেটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছে সেটা সরকার পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি মনে করি, অনেক ভালোই আমরা দিয়েছি। তবে বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, দাবির পুরোটা না মিটলেও যেটুকু সহযোগিতা পাওয়া গেছে তাতেই তারা খুশি। ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, খুব বেশি বেনিফিট আমরা পাইনি। তারপরও আমি বলবো বর্তমান সরকার ও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ যেভাবে আমাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছে, এই চেষ্টাটা যেনো অব্যাহত থাকে এবং ভবিষ্যতে পাশে দেখে আমাদের ব্যবসাকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ করে দেন। চার্জবাবদ প্রতি মাসে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আয় ৯০ থেকে ১০০ কোটি টাকা। কিন্তু মার্চ থেকে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় আয় প্রায় শূন্যের কোটায় নামে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply