sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » সবার ডিজিটাল সুরক্ষার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন : তথ্যমন্ত্রী




সবার ডিজিটাল সুরক্ষার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন : তথ্যমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ আজ শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের সব মানুষের ডিজিটাল সুরক্ষার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। বিশ্বের বহু দেশে এ আইন আছে এবং এর অপপ্রয়োগ রোধে সরকার সতর্ক দৃষ্টি রাখছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে শামীম আহমেদ সম্পাদিত ‘শেখ হাসিনা : ঘুরে দাঁড়ানোর বাংলাদেশ’ সচিত্র গ্রন্থটির তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী বইটির চলমান প্রকাশনাকে স্বাগত জানান ও তথ্য-উপাত্তগুলো সবসময় হালনাগাদ রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে সাম্প্রতিক আলোচনার প্রেক্ষাপটে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশে-বিদেশে ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সম্প্রতি করোনা টিকা নিয়েও নানা অপপ্রচার চলেছে। টিকা সময় মতো আসবে না বলার পর যখন এসে গেল, তখন বলা হলো এটি ক্ষতিকর। তারপর এখন অপপ্রচারকারীরাই গোপনে-প্রকাশ্যে টিকা নিচ্ছেন।’ ‘দেশের অভ্যন্তর থেকে এবং বিদেশে বসেও ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নিজের পরিচয় গোপন রেখে অন্যের চরিত্রহনন করা হচ্ছে’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে, সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে, দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে কতজনকে হত্যা করা হয়েছে। এসব অপরাধের বিরুদ্ধে তো একটা আইনের প্রয়োজন। সেটিই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, যে আইনটি দেশের সব মানুষের জন্য।’ লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, গৃহিণী, চাকরিজীবী, কৃষক, রিকশাচালক, খেটে-খাওয়া মানুষ সবার ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য এবং দেশের স্বার্থে সবাইকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এ আইন বলে ব্যাখ্যা করেন ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আইনের চোখে দোষ করলে তিনি গ্রেপ্তার হন, কিন্তু জেলখানায় কারো মৃত্যু কখনো কাম্য নয়। সেজন্য আমিও ব্যথিত। কিন্তু এ আইনের প্রয়োজন আছে। এবং এ আইন শুধু বাংলাদেশে নয়, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়াতেও আছে। এমনকি সমগ্র ইউরোপীয় ইউনিয়নেও একটি ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় নাগরিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা দেওয়া হয়।’ যে সমস্ত দেশের রাষ্ট্রদূতরা এ নিয়ে বিবৃতি দেন, তাদের দেশেও এ আইন আছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তবে আইনের অপপ্রয়োগ হওয়া উচিত নয়। এ বিষয়েও আমরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছি।’ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মালেক, রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও গ্রন্থ সম্পাদক শামীম আহমেদ অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন। এরপর রাতে চলচ্চিত্র তারকা অনন্ত জলিল অভিনীত দুটি চলচ্চিত্র ‘দ্যা ডে’ এবং ‘দ্যা লিডার’-এর বাংলাদেশ, ভারত, ইরান ও তুরস্কের শিল্পীসহ প্রীতি সম্মিলনে উপস্থিতি হয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করি আগামী পাঁচ বছর পর দেশে সিনেমা হলের সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। বর্তমান সরকার তিন ক্যাটাগরিতে সিনেমা হলগুলোতে প্রণোদনা দিচ্ছে। হল প্রতি সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা, দুটি হলে ১০ কোটি টাকা। এ ছাড়া সিনেমা তৈরিতেও আমরা অনুদানের সংখ্যা বাড়িয়েছি এবং টাকার পরিমাণও বাড়িয়েছি। তবে সরকারি অনুদানে সিনেমা বানালে কমপক্ষে ১০ হলে তা প্রচার করতে হবে।’ এ সময় সিনেমা তৈরিতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান ড. হাছান মাহমুদ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply