sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর: আইনে পরিণত হলো দুই বিল




রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর: আইনে পরিণত হলো দুই বিল

চলমান জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পাস হওয়া দুটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। জাতীয় সংসদের যুগ্ম সচিব তারেক মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) ‘দ্য সিভিল কোর্টস (সংশোধন) বিল, ২০২০’ বিল ও ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) বিল, ২০২০’ বিল দুটিতে স্বাক্ষর করায় তা আইনে পরিণত হলো। উল্লেখ্য, বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। আইনের নতুন বিধান অনুযায়ী একজন সহকারী জজ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের (সম্পত্তি বা অর্থে যে অঙ্কের টাকা নিয়ে বিরোধ) মামলা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। আগে এই এখতিয়ার ছিল দুই লাখ টাকা। একইভাবে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজের বিচারিক এখতিয়ার চার লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা এবং আপিল শুনানির ক্ষেত্রে জেলা জজের এখতিয়ার পাঁচ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে। পাস হওয়া বিলে পাঁচ কোটি টাকার কম মূল্যমানের কোনো মামলায় যুগ্ম জেলা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল বা কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন থাকলে তা জেলা জজ আদালতে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। আগে পাঁচ কোটি টাকার কোনো আপিল হলে হাইকোর্টে যাওয়া লাগলেও আইন সংশোধনের ফলে জেলা জজ সেই আপিল শুনানি করতে পারবেন। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে আইনমন্ত্রী ২০১৬ সালের সংশোধনী উচ্চ আদালতে বাতিল হওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, প্রশাসনিক জটিলতাসহ বিচার প্রার্থী জনগণের অসুবিধার কথা মাথায় রেখে সরকার আইনটি সংশোধন আবশ্যক মনে করছে। ২০১৬ সালে আইন করে সিভিল কোর্টগুলোর বিচারিক এখতিয়ার বাড়ানো হলেও হাইকোর্ট তা স্থগিত করে দেন। ফলে নতুন করে আইন সংশোধন করা হচ্ছে। বিলে ২০১৬ সালের ওই সংশোধন রহিত করে একটি ধারা সংযোজন করা হয়েছে। সরকার ২০১৬ সালেও টাকার অঙ্কে বিচারিক এখতিয়ার একই পরিমাণ বাড়িয়ে আইন সংশোধন করেছিল। কিন্তু তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদন হলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সরকারের ওই গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত করে দেয়। অন্যদিকে, চলতি সংসদ একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনে সোমবার (২৫ জানুয়ারি) ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) বিল-২০২০’ পাসের জন্য উত্থাপন করলে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের এমন সমালোচনার মুখে পড়েন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। পরে বিলের ওপর দেয়া জনমত যাচাইবাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি শেষে বিলটি পাস হয়। বিলে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মালিকানা হস্তান্তর এবং দেশ-বিদেশে শাখা খোলার সুযোগ রাখা হয়েছে। বর্তমানে কোনো অপরাধের জন্য ট্রাভেল এজেন্সিকে জরিমানার সুযোগ নেই। কর্তৃপক্ষ তাদের নিবন্ধন স্থগিত বা বাতিল করতে পারে, কিন্তু পাস হওয়া বিলে জরিমানার সুযোগ রেখে বলা হয়েছে, কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে ছয় মাস জেল, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া হবে। আর এ সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে ফৌজদারি দণ্ডবিধি প্রযোজ্য হবে বলেও বিলটিতে বলা হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply