sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বুয়েটের সাথে আইসিটি একাডেমি পরিচালনা করবে হুয়াওয়ে




দেশের তরুণ আইসিটি শিক্ষার্থীরা যাতে বিশ্ববাজারে নিজেদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জায়গা করে নিতে পারে সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে এক হয়ে বিশেষ আইসিটি একাডেমি পরিচালনা করতে চায় হুয়াওয়ে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) প্রথম আইসিটি একাডেমি স্থাপন করতে যাচ্ছে হুয়াওয়ে ও বুয়েট। সম্প্রতি এই উদ্দেশে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বুয়েট কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বুয়েটের উপাচার্য ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার এবং হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট লিনঝিজুন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন। শুক্রবার হুয়াওয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী দুই বছরে বিশ্ব আইসিটি ক্ষেত্রে ৭ লাখেরও বেশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। আর ১০ বছরের মধ্যে এই খাতের ব্যাপক সম্প্রসারণের ফলে প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ৭ কোটি পেশাদার আইসিটি কর্মীর ঘাটতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ আইসিটি শিক্ষার্থীরা যাতে বিশ্ববাজারে এই পেশায় নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পারে সেজন্যই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলের মধ্যে বুয়েট একাডেমিক ভবনে তৈরি হবে এই বিশেষ ট্রেনিং সেন্টার, যেখানে কারিগরি প্রযুক্তি ও যন্ত্রাংশ নিশ্চিত করা হবে। সাথে থাকবে কানেক্টিভিটি, যার মাধ্যমে সারা বিশ্বের ১ হাজার ২শ এরও বেশি প্রশিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ পাবেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর ৮৩টি সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম থাকবে। আর এই কোর্স এবং সার্টিফিকেশন সমন্বয় করবে হুয়াওয়ে অথরাইজড ইনফরমেশন অ্যান্ড নেটওয়ার্ক একাডেমি (এইচএআইএনএ)। যা মুলত এই হুয়াওয়ে-বুয়েট আইসিটি একাডেমি। এই আইসিটি একাডেমি থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের কৃতিত্বের ওপর ভিত্তি করে তিন ধরণের গ্রেড যেমন অ্যাসোসিয়েট, প্রফেশনাল ও এক্সপার্ট সার্টিফিকেট পাবেন। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা চাকরির বাজারের জন্য নিজেদের উপযুক্ত করে তৈরি করতে পারবেন এবং সবশেষে তাদের জন্য জব ফেয়ারেরও আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, যে কোন দেশের অগ্রগতির জন্য শিক্ষা, বিশেষ করে আইসিটি শিক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি। বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা বেশ অনেকদিন থেকেই বিশ্বে আমাদের নাম উজ্জ্বল করে চলেছে। কিন্তু এখনও অনেক দূর যেতে হবে। এই যাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে হুয়াওয়ে এবং বুয়েট যে পদক্ষেপ নিতে চলেছে তা অনেক আশাব্যাঞ্জক। আমাদের সামনে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন রয়েছে, তা পূরণ করতে বুয়েটের মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দিনগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা বাড়বে বলে জানান তিনি। বুয়েটের উপাচার্য বলেন, আইসিটি একাডেমি তৈরির উদ্যোগ এবং এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য হুয়াওয়ের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। তিনি বলেন, আসন্ন ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণে হুয়াওয়ে আইসিটি একাডেমির মত একটি প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে আমাদেরকে বিপুল চালিকাশক্তি জোগাবে। বিগত দশকগুলোতে পাঠদানের ক্ষেত্রে বুয়েট যে গুণগত মান ধরে রেখেছে তার সাথে এই উদ্যোগটি নতুন মাত্রা যোগ করবে। হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিওও তাও গুয়াংইয়াও বলেন, তরুণদের কর্মদক্ষতার উন্নয়ন না ঘটলে দেশ উপকৃত হতে পারে না। উন্মুক্ত বৈশ্বিক শিক্ষার সুযোগ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অনেক প্রয়োজন। এই সুযোগ তাদের চিন্তাশক্তিকে বাড়িয়ে তোলে। আইসিটি ক্ষেত্র যখন প্রতি মুহূর্তেই নতুন নতুন আবিষ্কার নিয়ে আবির্ভাব হচ্ছে তখন এর সাথে আরও এক হয়ে সমাজের জন্য নতুন উপযোগিতা তৈরি করতে হবে। অলাভজনক শিক্ষা প্রোগ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এই একাডেমিটি দু’টি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করবে। এর মধ্যে একটি হলো আইসিটি খাতের চাহিদা পূরণে ট্রেনিং ও লার্নিং সল্যুশন প্রদান করা। অন্যটি হলো আইসিটি খাতের জন্য একটি ট্যালেন্ট ইকোসিস্টেম তৈরি করা। সারা বিশ্বে এরকম ৯শ’র বেশি আইসিটি একাডেমি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে হুয়াওয়ের। প্রতি বছর এসব একাডেমি থেকে ৪৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী বের হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বুয়েট থেকে ২৫০ জন শিক্ষার্থী এই ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণ করবে। পাকিস্তান, জাম্বিয়া ও চীনসহ আরও বেশ কিছু দেশে এই একাডেমি কার্যক্রম শুরু করেছে






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply