sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » মোহামেডানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে পঞ্চম জয় বসুন্ধরার




মোহামেডানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে পঞ্চম জয় বসুন্ধরার

ঢাকার বাইরে ম্যাচ হলেই যেনো ফুটবলের রুদ্ধশাস উত্তাপ ফিরে পায় তার পুরোনো রুপে। কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডানের ম্যাচ শুরু না হতেই গ্যালারি ভর্তি হাজারো দর্শক। আর টানটান উত্তেজনা। এতেই রাউল বেসেরার জোড়া গোলে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে টানা পঞ্চম জয় পেলো তারকাসমৃদ্ধ বসুন্ধরা কিংস। ম্যাচের শুরুতেই অ্যাটাকিং ফুটবল খেলে বসুন্ধরা। মোহামেডানের রক্ষণ শিবিরে একের পর এক হানা অস্কার ব্রুজন শিষ্যদের। যেখানে কিংসের ব্রাজিলিয়ান ফার্নান্দেস আর আর্জেন্টিনার বেসেরার রসায়নটা ছিলো চোখে পড়ার মতো। তাইতো ১০ মিনিটেই দারুণ এক হেডে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন রাউল বেসেরার। অবশ্য সেই ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বসুন্ধরা। ২২ মিনিটে আবিওলা নুরাতের গোলে সমতায় ফেরে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। গোল খেয়ে যেনো মরিয়া হয়ে ওঠে কিংসরা। বিরতির আগেই রবিনহোর দুর্দান্ত গোলে আবারো লিড নেয় ২০১৮-১৯ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নরা। যেখানে ৬ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার শীর্ষে এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। বিরতির পর ব্যবধান বাড়াতে দাপুটে ফুটবল বসুন্ধরার। ৪৯ মিনিটে বিশ্বনাথের অ্যাসিস্টে নিখুঁত ফিনিশিং ফার্নান্দোর। ফলে স্কোর লাইন দাঁড়ায় ৩-১। এরপর অবশ্য ৮১ মিনিটে স্পট কিক থেকে বল জালে জড়ান রাউল বেসেরার। শেষ পর্যন্ত মোহামেডান ব্যবধান কমাতে না পারলে, লিগ টানা পঞ্চম জয় পায় বসুন্ধরা কিংস। এ জয়ে ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেস্থান মজবুত করলো ব্রুজনের দল। আরেক ম্যাচে, চট্টগ্রাম আবাহনীর সাথে ১-১ গোলে ড্র করেছে আবাহনী লিমিটেড। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই দুদলের লড়াইটা ছিল সমানে সমান। যদিও ১২ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল চট্টগ্রাম আবাহনীর। যদি না চিনেডু ম্যাথিউয়ের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হতো। তবে ৩১ মিনিটে স্পট কিক থেকে আবাহনী লিমিটেডকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ফিলহো। যদিও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে নিক্সনের গোলে সমতায় ফেরে চট্টগ্রাম আবাহনী। বিরতির পর ব্যবধান বাড়াতে দু’দলই আক্রমণ শানায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগ করে নিতে হয় তাদের। এদিকে, শেখ রাসেল ও মুক্তিযোদ্ধার ম্যাচটা ছিলো একেবারেই নিষ্প্রাণ। প্রথমার্ধে দু’দলই কোনো গোলের দেখা পায়নি। যদিও অতিরিক্ত সময়ে শোয়েব মিয়ার আত্নঘাতী গোলে স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply