sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বাইডেনের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কি নির্বিঘ্ন হবে? বিশ্লেষকের অভিমত




মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে ডেমোক্রেটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় বাইডেন প্রশাসন কোনো বাধা ছাড়াই যে কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবে বলে ধারনা করা হচ্ছিল। কিন্তু বাইডেনের শাসনের শুরু থেকেই রিপাবলিকান দলের প্রতিনিধিরা বাইডেনের বিভিন্ন পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। মার্কিন অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেন ১.৯ ট্রিলিয়ন ডলারের যে বিশাল পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন রিপাবলিকানরা তার তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তারা বাইডেনের ওই পরিকল্পনার ব্যাপারে বিস্ময় প্রকাশ করে দাবি করেছেন, এর ফলে জাতীয় আয়ের উৎস ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাও আবার এমন সময় যখন আমেরিকার আর ঋণের প্রয়োজন নেই। ধারণা করা হচ্ছে, জাতীয় ক্ষতির বিষয়টি রিপাবলিকানদের কাছে মূল বিবেচ্য বিষয় নয় বরং বাইডেনের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বিরোধিতা করার পেছনে তাদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, নিজেদের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন করা এবং সবাইকে এটা দেখানো যে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে ডেমোক্রেটরা সংখ্যায় বেশি হলেও প্রেসিডেন্ট বাইডেনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ ঠেকানোর ক্ষমতা তাদের রয়েছে। কংগ্রেসে রিপাবলিকান দলের অনেক নেতা মনে করেন, অর্থনৈতিক খাত উন্নয়নে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের গৃহীত সিদ্ধান্ত অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন গত ১৪ জানুয়ারি করোনা মহামারির কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য ১.৯ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। তিনি এ কর্মসূচির নাম দিয়েছেন, 'যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষার কর্মসূচী'। সরাসরি অর্থ সহায়তা দেয়া, বেকারত্ব বিমার পরিধি বাড়ানো, সাধারণ মানুষের বাড়িভাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা, খাদ্য সহযোগিতা, ক্ষুদ্র বা ছোটখাটো কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা প্রভৃতি বাইডেনের ওই বিশাল অর্থনৈতিক প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। বর্তমানে করোনা মহামারির কারণে যুক্তরাষ্ট্র বিপর্যয়কর অবস্থায় রয়েছে। করোনায় এ পর্যন্ত দেশটির দুই লাখ ৭০ হাজার মানুষ মারা গেছে। করোনা মার্কিন অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। গত বছর মার্কিন অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের পরিমাণ বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। ১৯৪৫ সালের তুলনায় এ হ্রাসের পরিমাণ ২.৫ শতাংশ। করোনার কারণে সমস্ত প্রতিষ্ঠান কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এবং মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। এতে অন্তত চার কোটি মানুষ দরিদ্রতা ও ক্ষুধার সম্মুখীন হয়েছে। মার্কিন ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক বিষয়ক অধ্যাপক দায়ান ভিতম্যুর দরিদ্রতা ও ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ধারণা করা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট বাইডেন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে এ বিপর্যয় ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। তিনি মূলত করের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে অর্জিত আয়ের অর্থ দিয়ে বিপর্যয় রোধ করার পদক্ষেপ নিয়েছেন যাতে কিনা রিপাবলিকান দলের ঘোর আপত্তি রয়েছে। এ অবস্থায় বাইডেন প্রশাসন যে উদ্যোগই নিক না কেন তা নির্বিঘ্ন হবে না বলেই পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।#






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply