sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিবিড় সমর্থন প্রত্যাশা করি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী




বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাঁরা দুটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে বিদ্যমান দুর্দান্ত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও উন্নত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বে নতুন মার্কিন প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে, উভয়পক্ষ তা পর্যবেক্ষণ করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ গত এক দশকে প্রশংসনীয় আর্থ-অর্থনৈতিক অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে, আগামী দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নিবিড় সমর্থন এবং সহযোগিতা প্রত্যাশা করে। অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং উচ্চপ্রযুক্তি পার্কগুলোতে আরও বেশি মার্কিন বিনিয়োগের প্রত্যাশা করে। যুক্তরাষ্ট্র আইসিটি সেক্টরে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ অরণ্য সংরক্ষণ এবং জলসম্পদের ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দিতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রয়োজন। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটি আরও বৃদ্ধি অব্যাহত রাখবে। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বাংলাদেশের জন্য অগ্রাধিকার হিসেবে রয়ে গেছে। ৱ মার্কিন প্রেসিডেন্টের জলবায়ু সম্পর্কিত বিশেষ দূত জন কেরির সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক টেলিফোন আলোচনার কথা স্মরণ করেন ড. মোমেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিকভাবে কাজ করার আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জনের কারণে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব অর্জন করছে। তিনি রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কিত বিশাল মানবিক উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশের জন্য তাঁর দেশের প্রশংসা পুনর্বার উল্লেখ করেন এবং বলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে সোচ্চার হিসেবে রয়ে গেছে। বাংলাদেশের ৫০তম বার্ষিকী এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর চলমান উদযাপন দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের পুনর্গঠনের জন্য একটি ভালো উপলক্ষ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply