sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ডুবুরি বা ডুবালু (ইংরেজি: Little Grebe বা Dabchick[74]




ডুবুরি Wiki-kaituburi-1.jpg প্রজননকালীন অবস্থা সংরক্ষণ অবস্থা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১)[১] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: কর্ডাটা শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Podicipediformes পরিবার: Podicipedidae গণ: Tachybaptus প্রজাতি: T. ruficollis দ্বিপদী নাম Tachybaptus ruficollis (Pallas, 1764) Tachybaptus ruficollis-map-distribution.svg সবুজ: সারা বছর অবস্থান, কমলা: শীতকালীন অবস্থান, হলুদ: কেবল প্রজননস্থল প্রতিশব্দ

Podiceps ruficollis ডুবুরি বা ডুবালু (ইংরেজি: Little Grebe বা Dabchick; বৈজ্ঞানিক নাম:Tachybaptus ruficollis) ট্যাশিব্যাপটাস (Tachybaptus) গণের পোডিসিপেডিডি (Podicipedidae) গোত্রের অন্তর্গত একটি ছোট আকৃতির জলজ পাখি।[২] এদের সাঁতার কাটা আর ডুব দেবার অস্বাভাবিক দক্ষতা থাকার কারণে নাম হয়েছে ডুবুরি। বিশাল এলাকা জুড়ে ডুবুরির আবাস হলেও এদের সংখ্যা কম এবং দিন দিন সংখ্যা কমেই যাচ্ছে। সারা দুনিয়ায় ৩ কোটি ১৫ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্রায় ৬ লাখ ১০ হাজার থেকে ৩৫ লাখ ডুবুরি রয়েছে।[৩] পরিচ্ছেদসমূহ ১ শারীরিক গঠন ১.১ স্বাভাবিক গঠন ১.২ শীতকালীন গঠন ১.৩ অপ্রাপ্তবয়স্ক ডুবুরি ২ উপপ্রজাতি ৩ বিস্তৃতি ৪ আচরণ ৪.১ বিচরণ ৪.২ খাদ্যাভ্যাস ৪.৩ চলাফেরা ৪.৪ পরিযায়ন ৪.৫ ডাক ৫ প্রজনন ৫.১ বাসা ৫.২ ডিম ৫.৩ সন্তান প্রতিপালন ৫.৪ সংকরায়ন ৬ অস্তিত্বের সংকট ৭ তথ্যসূত্র ৮ বহিঃসংযোগ শারীরিক গঠন ডুবুরি ছোট গলা ও চোখা ছোট ঠোঁটবিশিষ্ট জলজ পাখি। দেখতে ক্ষুদে হাঁসের ছানার মত। দেহ অনেকটাই ডিম্বাকৃতির, গভীর পানিতে ডুব দেওয়ার উপযোগী। এর দৈর্ঘ্য ২৩ থেকে ২৯ সেন্টিমিটার। ডানার বিস্তার ৪০ থেকে ৪৫ সেন্টিমিটার। ওজন ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম।[৪] শীতকালে এদের একরকম আর অন্যান্য সময়ে সম্পূর্ণ অন্যরকম মনে হয়। স্ত্রী ও পুরুষ ডুবুরী দেখতে একই রকম। স্বাভাবিক গঠন ডুবুরির মাথা ও ঘাড়-গলার পেছন দিকটা কালো। মাথার কালো টুপি চোখকে ঘিরে রাখে। ঘাড়ের মাঝ বরাবর থেকে পিঠের দিক গাঢ় বাদামী। উপপ্রজাতিভেদে এই অংশটা কালোও হয়। লেজ অস্বাভাবিক ছোট। গলার সামনের অংশ ধূসর। দেহের শেষের দিক এবং লেজের উপরের অংশ ফোলানো-ফাঁপানো এবং ধূসর-বাদামী রঙের। দেহের নিচের দিক হালকা বাদামী। চোখের আইরিস উপপ্রজাতিভেদে বাদামী, লালচে-বাদামী, টকটকে লাল বা হলুদ। প্রজনন ঋতু ছাড়া অন্যান্য সময়ে ঠোঁটের উপরিভাগ কালো, নিম্নভাগ হলুদ। উপপ্রজাতিভেদে ঠোঁট সম্পূর্ণ কালোও হয়। তবে ঠোঁটের ডগার অল্প একটু অংশ সবসময়ই হলুদ বা সাদা থাকে। ঠোঁটের গোড়ায় ও চোখের সামনে একটি সাদা বা হলুদ অংশ থাকে। পা বেশ লম্বা ও গাঢ় সবুজাভ রঙের। পা অন্যসব জলজ পাখির মত লিপ্তপাদ নয়। দেহের পশ্চাদভাগে অবস্থিত। পায়ের অবস্থান ও গঠন পানিতে সাঁতার কাটা ও ডুব দেবার উপযোগী, সেকারণে ডাঙায় চলাফেরা করতে ডুবুরির বেশ কষ্ট হয়। তবে কদাচিৎ ডাঙায় ওঠে।[২][৫] শীতকালীন গঠন শীতকালে দেহের গাঢ় অংশগুলো আরও গাঢ় হয়। গলার সামনের অংশ ও গাল লালচে বাদামী বর্ণ ধারণ করে। দেহের ধূসরাভ অংশগুলো হালকা বাদামী ছাঁট ধারণ করে। ঠোঁটের ডগার সাদা বা হলুদ অংশটি আরও বড় ও স্পষ্ট হয়। ঠোঁটের নিচে একটি কালো অংশ দেখা যায়। শীতের শেষ দিকে আস্তে আস্তে রঙ ফ্যাকাসে হতে থাকে।[২][৫] অপ্রাপ্তবয়স্ক ডুবুরি অপ্রাপ্তবয়স্ক ডুবুরিরা পূর্ণবয়স্কদের তুলনায় ফ্যাকাসে বর্ণের। এদের ঠোঁট সম্পূর্ণ হলুদ থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঠোঁট কালচে ভাব ধারণ করে। এছাড়া গলার দু’পাশে হালকা সাদা-কালো ডোরা দেখা যায়।[২][৫] উপপ্রজাতি প্রধানত দেহের বর্ণ ও আকারের উপর ভিত্তি করে ডুবুরির মোট নয়টি উপপ্রজাতি সনাক্ত করা হয়েছে।[৬] এরা হল: T. r. ruficollis (Pallas, 1764): এদের প্রধান আবাসস্থল পূর্ব ইউরোপ থেকে উরাল পর্বতমালা পর্যন্ত এবং উত্তর পশ্চিম আফ্রিকা T. r. iraquensis (Ticehurst, 1923): ইরাক এবং দক্ষিণ পশ্চিম ইরান। T. r. capensis (Salvadori, 1884): সাহারা মরুভূমির দক্ষিণাংশ, মাদাগাস্কার, ককেশাস থেকে ভারত পর্যন্ত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এদের প্রধান আবাসস্থল। T. r. poggei (Reichenow, 1902): এদের প্রধান আবাসস্থল দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব এশিয়া, চীনের হাইনান প্রদেশ, জাপান, তাইওয়ান ও কুরিল দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণাংশ। T. r. philippensis (Bonnaterre, 1791): এদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর ফিলিপাইন। T. r. cotobato (Rand, 1948): মিন্দানাও, দক্ষিণ ফিলিপাইন। T. r. tricolor (G. R. Gray, 1861): সুলাওয়েসি থেকে সেরাম দ্বীপ, উত্তর নিউ গিনি, লম্বক থেকে তিমুর পর্যন্ত এদের প্রধান আবাসস্থল। T. r. volcanorum (Rensch, 1929): জাভা থেকে তিমুর পর্যন্ত। এই উপপ্রজাতিটি নিয়ে একটু সন্দেহ রয়েছে। T. r. collaris (Mayr, 1945): উত্তর-পূর্ব নিউ গিনি থেকে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত এদের দেখা যায়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply