sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » দাগযুক্ত মাছরাঙা বা পাকড়া মাছরাঙা বা ছিটরংগা মাছরাঙা (ইংরেজি: Pied King Fisher)[86]




মহসিন আলী আঙ্গুর//

দাগযুক্ত মাছরাঙা Pied kingfisher.jpg দাগযুক্ত মাছরাঙা সংরক্ষণ অবস্থা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১)[১] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: কর্ডাটা শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Coraciiformes পরিবার: Cerylidae গণ: Ceryle F. Boie, 1828 প্রজাতি: C. rudis দ্বিপদী নাম Ceryle rudis (Linnaeus, 1758) দাগযুক্ত মাছরাঙা বা পাকড়া মাছরাঙা বা ছিটরংগা মাছরাঙা (ইংরেজি: Pied King Fisher) (বৈজ্ঞানিক নাম: Ceryle rudis) হল একধরনের জলজ মাছরাঙা যাদেরকে প্রধানত ব্যাপক ভাবে এশিয়া এবং আফ্রিকাতে দেখতে পাওয়া যায়। এদের সাদা কালো পাখনার রঙ এবং স্বচ্ছ লেকের ওপরে এদের ঝুলে ঝুলে চলা শিকার ধরবার আগে, এদেরকে অন্যান্যদের থেকে আলাদা করে দেয় এবং এদেরকে সহজেই তাই চেনা যায়। পুরুষদের বুকের ওপর দিয়ে দুটো কালো রঙের দাগ থাকে ব্যান্ডের মতোন কিন্তু মহিলাদের ক্ষেত্রে তা একটা থাকে এবং কোনো কোনো সময়ে তা অস্পষ্টও হতে পারে। এদেরকে প্রধানত জোড়ায় জোড়ায় দেখতে পাওয়া যায়, এছড়াও মাঝে মাঝে এরা ছোটো ছোটো দলেও বসবাস করতে ভালবাসে। যখন এরা শিকার ধরে তখন এরা তাদের মাথা হাল্কা হাল্কা করে দোলায় এবং মাঝে মাঝে লেজটাকে ওপরে নিচে করে। বর্ণনা এই মাছরাঙাগুলো প্রধানত ১৭ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয় এবং এদের ভুরূর রঙ হয় সাদা এবং বুকের ওপরে থাকে কালো রঙের ব্যান্ডের মতোন দাগ। এদের মাথার ওপরে একটা ঝরঝরে ঝুঁটি থাকে এবং ওপরের অংশ কালো রঙের হয়। অন্যান্য উপজাতিদের চেনা যায় তাদের বিস্তৃতির মাধ্যমে। এদের মনোনীত জাতিগোষ্ঠীরা প্রধানত আফ্রিকাতে বসবাস করে এবং পশ্চিম এশিয়ার দিকে বিস্তার করে। একটা প্রাক্তন উপজাতি সাইরিয়াকাকে বৃহত্তম পাখি বলে ধরা হত এই প্রজাতির মধ্যে।[২] এদের আরেকটি উপজাতি লেউকোমেলানুরা, এদেরকে প্রধানত পাওয়া যায় আফগানিস্তান, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং লাওসে পাওয়া যায়। পশ্চিম ঘাটের উপজাতিটি হল ট্র্যাভেঙ্কোরেন্সিস, এরা প্রধানত আরো গাঢ় রঙের হয় এবং গায়ে সাদা ছোপ ছোপ থাকে। আরেজটি উপজাতি সি.আর. ইন্সাইনিস এদেরকে প্রধানত পাওয়া যায় চীনে এবং এদের ঠোঁটের আকার প্রধানত অন্যদের থেকে বড় হয়। ছেলেদের সরু সরু দুট কালো ব্র্যান্ড থাকে বুকের ওপরে কিন্তু মহিলাদের তা থাকলেও অস্পষ্ট থাকে পুরোপুরি।[৩][৪] বিস্তার এদেরকে প্রধানত সাহারা আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও দক্ষিণ এশিয়া, তুরস্ক, ভারত এবং চীন প্রভৃতি দেশে এদের বিস্তার। এরা প্রধানত বাসাতেই বসবাস করে। এরা পরিযায়ী পাখি না। শুধুমাত্র মরসুমের পরিবর্তনের সময় এরা তাদের অঞ্চলের মধ্যেই পরিযান করে অল্পবিস্তর এলাকা।[৫] ভারতে এরা প্রধানত বসবাস করে সমতলভূমিতে এবং উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে অর্থাৎ হিমালয়ে এদেরকে পাওয়া যায় না। যাদেরকে পাওয়া যায় তারা হল ঝুঁটিত্তয়ালা মাছরাঙা।[৬] এরা বিশ্বের তৃতীয় সবথেকে সাধারণ মাছরাঙা বলে অনুমোদিত। এরা খুব সশব্দ পাখি বলে এদেরকে সবসময়ই দেখতে পাওয়া যায়।[৫] তথ্যসূত্র BirdLife International (২০১২)। "Ceryle rudis"। বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2013.2। প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৩। Kasparek, M (১৯৯৬)। "On the identity of Ceryle rudis syriaca"। J. Orn.। 137 (3): 357–358। ডিওআই:10.1007/BF01651075। Rasmussen, PC & JC Anderton (২০০৫)। "Birds of South Asia: The Ripley Guide. Volume 2"। Smithsonian Institution & Lynx Edicions: 266–267।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply