sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » পশ্চিমবঙ্গে ষষ্ঠ দফায় ৪৩ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু




ষষ্ঠ দফায় পশ্চিমবঙ্গের ৪ জেলায় শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থেকে নদিয়ার চাপড়া মোট ৪৩ আসনে কড়া নিরাপত্তায় শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। এই দফায় উত্তর দিনাজপুরের ৯টি আসনের সবগুলোতেই ভোট। এ ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলা— উত্তর ২৪ পরগনার ৩৩টির মধ্যে ১৭, নদিয়ার ১৭টির মধ্যে ৯ এবং পূর্ব বর্ধমানের ১৬টির মধ্যে ৮ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। উত্তর দিনাজপুরে চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ এবং ইটাহার আসনে ভোট। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, ব্যারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া ও হাবড়া আসনে। পূর্ব বর্ধমানে ভোটগ্রহণ গলসি, আউশগ্রাম, মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম, কাটোয়া, পূর্বস্থলী উত্তর, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, ভাতার আসনে। এ ছাড়াও নদিয়া করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ এবং কৃষ্ণনগর দক্ষিণ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। বৃহস্পতিবার পরীক্ষার মুখে অনেক নজরকাড়া প্রার্থীও। নদিয়ার কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে তৃণমূলের অভিনেত্রী প্রার্থী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের মুখোমুখি রাজ্য রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ নেতা বিজেপি-র মুকুল রায়। কৌশানীর চেয়ে এই কেন্দ্রে বেশি নজরে রয়েছেন মুকুল। কারণ, ২০ বছর পরে তিনি নির্বাচনের ময়দানে। একই ভাবে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া কেন্দ্রও নজরে রয়েছে। এখানে তৃণমূল প্রার্থী ৪ বারের বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দু’বার গাইঘাটা ও দু’বার হাবড়া থেকেই বিধায়ক হয়েছেন তিনি। তাঁর মুখোমুখি রাজ্য বিজেপি-র প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিংহ। অতীতে একাধিক নির্বাচনে প্রার্থী হলেও তিনি জিততে পারেননি কখনও। তবে গত লোকসভা নির্বাচনের ফলের নিরিখে কৃষ্ণনগর উত্তরের মতো হাবড়াও বিজেপি-র কাছে ‘সুবিধাজনক’ আসন। উত্তর ২৪ পরগনারই দমদম উত্তর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ব্যারাকপুরে তৃণমূলের প্রার্থী চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। এই জেলার বীজপুর আসনও নজরে থাকবে। এখানে বিজেপি প্রার্থী মুকুলপুত্র তথা বিদায়ী বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। সূত্র : আনন্দবাজার






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply