sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা: যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের




ইউক্রেনের পূর্ব সীমান্তে রাশিয়ার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং ইউক্রেনের পাল্টা অবস্থানের মধ্যেই কৃষ্ণসাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর হুঁশিয়ারি দিলো যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনকে সমর্থন দিতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা। কৃষ্ণসাগরে নিয়মিতভাবে মহড়া দেয় মার্কিন নৌবাহিনী। তবে, যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর মাধ্যমে মস্কোকে কড়া বার্তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সেদেশের সেনাবাহিনী এবং রাশিয়া সমর্থিত বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেন সীমান্তে সামরিক শক্তি বাড়িয়েছে রাশিয়া। পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী রুশ ভাষাভাষী মানুষদের রক্ষায় রাশিয়া হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে এরই মধ্যে সতর্ক করেছে ক্রেমলিন। ইউক্রেনে উত্তেজনা বৃদ্ধি নিয়ে ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি। পূর্ব ইউরোপের রাশিয়ার সীমান্তবর্তী একটি দেশ ইউক্রেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাকালীন রিপাবলিক ছিল দেশটি। ১৯৯১ সালের ২৪ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে গিয়ে স্বাধীন হয় দেশটি। দেশটি গুয়াম অর্গনাইজেশনের নেতৃত্ব দেয়। গুয়াম অর্গানাইজেশন হচ্ছে সোভিয়েত ইউনিয়নের ৪টি সাবেক রিপাবলিক জর্জিয়া, ইউক্রেন, আজারবাইজান, মলদোভার গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক সংগঠন। ১৯৯৭ সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যার সদরদপ্তর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে। ইউক্রেন ২০০৮ সালে ন্যাটোর সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করে। তখন থেকেই রাশিয়ার সাথে দূরত্ব আরো বাড়তে থাকে। ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রাশিয়া ছিনিয়ে নিলে দেশটির জনগণ ন্যাটোতে যোগদানের পক্ষেই সমর্থন ব্যক্ত করে। ২০১৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে এক ধরনের যুদ্ধ চলছে। বিশেষ করে ক্রিমিয়া ও দনবাস এলাকায় বেশ কয়েকবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। যা থেকে থেমে এখনো চলমান। যুক্তরাষ্ট্র সবসময় ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন দিয়েছে। বতর্মানে ইউক্রেনের প্রায় ৭ শতাংশ ভূমি রাশিয়ার সেনাবাহনীর দখলে। এদিকে কৃষ্ণ সাগর ভূরাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কৃষ্ণ সাগরের একটি উপদ্বীপ ক্রিমিয়া যা ইউক্রেনের সাথে লাগোয়া। ক্রিমিয়ার দক্ষিণের ইয়াল্টা শহরে একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। কৃষ্ণ সাগরে আধপত্য রাখতে হলে যে ঘাঁটি দখলে রাখা জরুরি। আর এ কারণেই রাশিয়া ক্রিময়ার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। যে ক্রিমিয়াকে ১৯৫৪ সালে ইউক্রেনকে দেয়া হয়েছিল। ক্রিমিয়ার পূর্ব পাশে অ্যাজভ সাগর বলে একটি ছোটো সাগর রয়েছে। অ্যাজভ সাগর থেকে কৃষ্ণ সাগরে আসার পথ কার্চ প্রণালি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply