sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কোম্যান, মেসি, আগুয়েরো এবং ল্যাপোর্তা শো!




গত রোববার রাতে সেল্টা ভিগোর কাছে পরাজয়ের ফলে চলতি মৌসুমে লা লিগা শিরোপার দৌড় থেকে ছিটকে গেছে বার্সেলোনা। তাইতো, স্প্যানিশ জায়ান্টদের মনোযোগ এখন ট্রান্সফার মার্কেটের দিকে ঝুঁকেছে। আর ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এখনই নিজের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রথম সুযোগ পেতে যাচ্ছেন জোয়ান ল্যাপোর্তা। ক্লাবে তাঁর প্রথম ঝলকে চলমান ট্রান্সফার মার্কেটে বেশকিছু সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে ইতোমধ্যেই নিজের কারিশমার প্রমাণ দিয়েছেন। তথাপিও ক্লাবের বর্তমান ভঙ্গুর অবস্থায় অধীর আগ্রহে প্রত্যাশা করছেন ভক্তরা, তিনি এবার কী করবেন- তা দেখতে। আর এক্ষেত্রে ল্যাপোর্তার কাছে উত্তর দেয়ার জন্য বেশ কয়েকটি প্রশ্নও রয়েছে। মূলত ক্লাবটি এখন যে বিপর্যয়কর আর্থিক পরিস্থিতির মুখোমুখি রয়েছে তার কারণে তিনি নিজের ইচ্ছামতো যা করতে চান তা করতে সক্ষম হবেন না, তবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা রয়েছে, যা দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। কোম্যান কী থাকবেন? যার প্রথমটি হলো- রোনাল্ড কোম্যান বার্সেলোনার কোচ হিসাবে কন্টিনিউ করবেন কিনা- যা আসন্ন ট্রান্সফার মার্কেটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। কাতালান ক্লাবটিতে ডাচ এই কোচের চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাকি আছে। তবে গত মাসের বাজে ফলাফলগুলোর কারণে যখন চলতি মৌসুমটি অনেকটা খালি হাতেই (কোপা দেল-রে ছাড়া) ফিরতে হলো, ল্যাপোর্তাকে বিষয়টা বেশ সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাই কোম্যানের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিদিন গুজব রটছে। এছাড়াও এটা মনে রাখা প্রয়োজন যে, সাধারণত ক্লাব প্রধানরা তাদের নিজস্ব কোচিং অ্যাপয়েন্টমেন্ট তৈরি করতে পছন্দ করেন, এমনকি যদি সবকিছুই ঠিকঠাকভাবে চলে যায়, তবুও ক্রেডিট নিতে হলেও তারা এটা করে থাকে। যেমনটি ল্যাপোর্তা ২০০৯ সালে বার্সার প্রথম দায়িত্বে থাকাকালীন ফ্র্যাঙ্ক রিজকার্ড কিংবা পেপ গার্দিওলাকে নিয়োগ দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। আর উভয় কোচই বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন। আর অনেকাংশে এ কারণেই ল্যাপোর্তার নেতৃত্ব এতোটা জনপ্রিয় এবং স্মরণীয় হয়ে আছে। মেসি কি রাজী হবে? ল্যাপোর্তার দ্বিতীয় জরুরি ইস্যু যেটা, সেটা হলো লিওনেল মেসির চুক্তি। বিষয়টা খুব একটা বড় না হলেও পরিস্থিতি এখন যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে তাতে, ৩০ জুন বার্সা ছেড়ে যেতে পারেন তিনি। যদিও এখনও অন্য কোনও ক্লাবের সাথে কথা বলা শুরু করেননি মেসি, কারণ ফুটবল আইন অনুযায়ী তিনি আগামী জানুয়ারি থেকে যোগাযোগ করার অনুমতি পাবেন। তবে ল্যাপোর্তা অবশ্যই মেসিকে একটি প্রস্তাব দিবে, যা তাকে বেতন এবং প্রকল্প- উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই বিশ্বাসী করে তুলবে। যদিও বিশ্বের সেরা বেতনের খেলোয়াড় হওয়ার প্রতি মেসির তেমন কোনও আগ্রহ নেই, আর ক্যাম্প ন্যু-র মতো বিশ্বের একটি অসচ্ছল ক্লাবের সাথে তেমন আচরণ করতেও চান না। তবুও দুইয়ের মাঝে ভারসাম্য থাকা দরকার এবং মেসিকে কনভিন্স করতে ল্যাপোর্তার কিছু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেই মনে করছেন অনেকে। কি হতে যাচ্ছে? দু'টি বদলির ক্ষেত্রে মেসির সিদ্ধান্ত সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। এছাড়া উপরোক্ত দু'টি সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে ল্যাপোর্তা আন্তরিকভাবে স্কোয়াডটির পুনর্গঠন শুরু করবেন। প্রথমত, প্রায় একমাসের জন্য আটকে আছে এরিক গার্সিয়ার আগমণ। ম্যানচেস্টার সিটির চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল শেষ হওয়ার পরে তাকে বার্সেলোনা খেলোয়াড় হিসাবে ঘোষণা করা হবে। এদিকে, ফ্রি ট্রান্সফারে বার্সায় যোগ দেওয়ার জন্য চুক্তি করেছেন মেমফিস ডিপাই, তবে কোম্যান কোচ থাকলেই কেবল বার্সায় যোগ দেবেন লিওর ফরোয়ার্ড, যা নিয়ে সংশয়ে ল্যাপোর্তা। ফ্রি ট্রান্সফারে সার্জিও আগুয়েরোকেও স্বাক্ষর করিয়ে নীতিগতভাবে দলে নিতে চাচ্ছে বার্সা। তবে কেবলমাত্র মেসি ক্যাম্প ন্যুতে থাকলেই আর্জেন্টাইন এই তারকা চুক্তিতে সই করতে আগ্রহী। তবে এদের মতো হাই প্রোফাইলের খেলোয়াড়কে শুধুমাত্র সাইন করালেই হবে না, দলে গোল স্কোরিং যোগ্যতাসম্পন্ন স্ট্রাইকার ভেড়াতে হবে বার্সেলোনাকে। যদিও এই গ্রীষ্মে কাজটি বেশ কঠিনই হতে যাচ্ছে কাতালান ক্লাবটির জন্য। এছাড়া আলিং হাল্যান্ডকেও টার্গেট করেছিল বার্সা, কিন্তু বরুসিয়া ডর্টমুন্ড পরের মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করায় তাকে দলে ভেড়ানোটা আপাতত সম্ভব হচ্ছে না। চলতি মৌসুমে ২৫ ম্যাচে ২৭টি গোল করে দলের সাফল্যে মূল ভূমিকা রেখেছেন এই নরওয়ের স্ট্রাইকার। তবে বার্সার জন্য অনেক বেশি সাশ্রয়ী সমাধান হতে পারে অ্যালেক্স ইসাক এবং বার্সেলোনাও দীর্ঘদিন ধরে রিয়েল সোসিয়েদাদের এই তরুণ তারকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এই মৌসুমে ১৬টি গোল করেছেন এই সুইডিশ ফরোয়ার্ড। এছাড়া মিডফিল্ডার জর্জিনিও উইজনাল্ডামকেও দলের ভেড়ানোর চিন্তা ভাবনা করছে বার্সা, যিনি কোম্যানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন এবং লিভারপুলের সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ হচ্ছে এই জুনেই। তিনি লজ কুলেসে যোগ দিতে পছন্দ করবেন, তবে সেটাও নির্ভর করছে কোম্যানের থাকা না থাকার ওপর। কাকে কাকে বিদায় করবে বার্সা! গত গ্রীষ্মের মতোই ব্লগ্রানারদের তহবিল বাড়াতে এবং তাদের বেতন বিল কমানোর জন্য কিছু খেলোয়াড়কে বিক্রি করা প্রয়োজন। ২০২০ সালে অবশ্য লুইস সুয়ারেজকে বলির পাঠা বানানো হয়েছিল, তবে যদিও এই গ্রীষ্মে বার্সা কাকে ছেড়ে দিবে তা বলাটা আসলে মুশকিল। ফ্রেঞ্চম্যান ওসমান ডেম্বেলে যদি তার চুক্তি সম্প্রসারণে রাজি না হন, তবে তাকে বিক্রি করা যেতে পারে। অন্যদিকে এরিক গার্সিয়ার আগমণের কারণে এবং রোনাল্ড আরাউজোর চিত্তাকর্ষক উত্থানের কারণে ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারেন স্যামুয়েল উমতিতি কিংবা ক্লিমেন্ট লেঙ্গেল্টের যে কোনও একজন। পরিশেষে, সমস্ত খেলোয়াড়ের অফারগুলোই বিশ্লেষণ করা হবে। তবে ল্যাপোর্তার সরাসরি বার্তা অনুযায়ী, এই গ্রীষ্মে কোনও কিছুই অসম্ভবের বাইরে নেই। তাই বার্সার আসন্ন যাত্রা যে বেশ কঠিনই হতে চলেছে- তা বলার অপেক্ষা রাখছে না। সূত্র- মার্কাডটকম।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply