sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » মিতু হত্যা মামলায় সাকু চারদিনের রিমান্ডে




চট্টগ্রামে মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাত নম্বর আসামি সাইদুল ইসলাম সিকদার ওরফে সাকু। ছবি : সংগৃহীত চট্টগ্রামে মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার সাত নম্বর আসামি সাইদুল ইসলাম সিকদার ওরফে সাকুর চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সাকুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থাপন করে সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করে। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রানীরহাট বাজার থেকে সাকুকে গ্রেপ্তার করেন র‍্যাব সদস্যরা। পরে তাঁকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করে। নগর গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, মিতু হত্যাকাণ্ডে খুনিরা যে মোটরসাইকেল ব্যবহার করেছিল, সেটির সরবরাহকারী ছিলেন সাকু। আর, সাকুর ছোট ভাই কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসা হত্যাকাণ্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী বলে জানিয়েছে পুলিশ। মিতু হত্যা মামলার আসামিরা হলেন তাঁর স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার, তাঁর সোর্স কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসা, এহতেশামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম ওরফে কালু, সাইফুল ইসলাম সিকদার ওরফে সাকু ও শাহজাহান মিয়া। ২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি মোড় এলাকায় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। এ সময় মিতুকে গুলি করার পাশাপাশি ছুরিকাঘাত করা হয়। ঘটনার সময় বাবুল আক্তার ঢাকায় ছিলেন। এ হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল আক্তার নিজে পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন। প্রথমে এই মামলা তদন্ত করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। তারা মামলা তদন্ত করতে গিয়ে মিতু হত্যার সঙ্গে তাঁর স্বামী বাবুলের সম্পৃক্ততার তথ্য পায়। গত ১০ মে দিনভর বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। পরদিন ১১ মে বাবুল আক্তারসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহত মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply