sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » প্রথম ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ৩৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ




বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচ। ছবি : বিসিবি দুর্দান্ত বোলিংয়ে জয়টা হাতের নাগালেই এনে দিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর স্পেল শেষ হতেই প্রতিরোধ গড়েন লঙ্কান ব্যাটসম্যান ওয়ানিন্ডু হাসারাঙ্গা। প্রায় দেড় ঘণ্টা উইকেটে থেকে বাংলাদেশকে ভোগান তিনি। তবে শেষ করতে পারেননি। শেষ দিকে মুস্তাফিজুর রহমান ও সাইফউদ্দিনের বোলিং তোপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের

। এই জয়ের সুবাদে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তামিম ইকবালের দল। একাই চার উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। ১০ ওভার বল করে মাত্র ৩০ রান খরচ করেছেন তিনি। আর ৩৪ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। আজ রোববার টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ছয় উইকেটে ২৫৭ রান করে বাংলাদেশ। তামিম, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ— তিনজনই পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ ৮৪ রান করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মুশফিক। জবাবে ৪৮.১ ওভারে ২২৪ রানে থেমেছে শ্রীলঙ্কা। ২৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করে শ্রীলঙ্কা। রানের গতিও ভালো ছিল সফরকারীদের। কিন্তু সময় গড়াতে স্পিনারদের দাপটে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ। প্রথম সাফল্য আসে স্পিনারদের হাত ধরেই। ইনিংসের পঞ্চম ওভারের শেষ বলে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে গুনাথিলাকাকে সাজঘরের পথ দেখান মিরাজ। ৩০ রানে প্রথম উইকেট হারায় অতিথিরা। ১৯ বলে ২১ রান করেন লঙ্কান ওপেনার। মিরাজের পর তিনে ব্যাট করতে নামা পাথুম নিসানকাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন মুস্তাফিজ। নিজের প্রথম স্পেলের চতুর্থ বলেই পাথুমকে ফেরালেন তিনি। তৃতীয় উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যান কুশল মেন্ডিসকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে স্বীকৃত ক্রিকেটে ১০০০তম উইকেট শিকার করেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। এরপর একে একে লঙ্কানদের আরো তিনটি উইকেট তুলে নেন মিরাজ। কিন্তু মিরাজের স্পেল শেষ হয়ে গেলে সপ্তম উইকেটে বাংলাদেশকে ভোগায় অতিথিরা। ৪৭ রানের ওই জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। শেষ দিকে প্রতিরোধ গড়েন লঙ্কান ক্রিকেটার ওয়ানিন্ডু হাসারাঙ্গা। কিন্তু শেষ করতে পারেননি। ৭৪ রানে তাঁর প্রতিরোধ ভাঙেন সাইফউদ্দিন। হাসারাঙ্গা ফিরলে শেষ পর্যন্ত ২২৪ রানে থামে শ্রীলঙ্কা। এদিন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে লঙ্কান বোলার চামিরার অফ স্টাম্পের বাইরের ফুল লেন্থের বল শট খেলতে চেয়েছিলেন লিটন। টাইমিং ঠিকঠাক হয়নি। প্রথম স্লিপে গিয়ে বল ক্যাচ হয়ে যায়। পাঁচ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। নড়বড়ে শুরুর পর তামিম ইকবালের সঙ্গে জুটি বেঁধে আশা জাগিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এই জুটিতে প্রথম ১০ ওভারে ৪০ রান তোলে বাংলাদেশ। এরপরই ছন্দপতন হয় বাংলাদেশের। ১৩ ওভারের প্রথম বলে বিদায় নেন সাকিব। দুই বাউন্ডারিতে ১৫ রান করেন তিনি। ৪১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৬৪ বলে ৩৮ রানে ভাঙে দ্বিতীয় জুটি। লিটন-সাকিব ফেরার পর মুশফিকের সঙ্গে অর্ধশত রানের জুটি গড়েন তামিম। এর মধ্যে ক্যারিয়ারের ৫১তম ওয়ানডে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম। শেষ ৯ ম্যাচে ষষ্ঠ হাফসেঞ্চুরি পাওয়া তামিমকে আর বেশিদূর যেতে দেয়নি শ্রীলঙ্কান বোলাররা। ২৩তম ওভারে এলবির ফাঁদে বাংলাদেশ অধিনায়ককে ফেরান ডি সিলভা। ছয় বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৭০ বল ৫২ করেন তামিম। তামিমের পর একই ওভারে মোহাম্মদ মিঠুনকেও এলবির ফাঁদে ফেলে সাজঘরে পাঠান ডি সিলভা। রানের খাতা খোলারও সুযোগ পাননি মিঠুন। তখন কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। পঞ্চম উইকেটে দুজন মিলে উপহার দেন শতরানের চমৎকার জুটি। মাঝে ৫২ বলে ৪০ তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক। সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন মুশফিক। কিন্তু হলো তিন অঙ্কের ঘরে যাওয়া। ৪৪তম ওভারের প্রথম বলে শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ৮৪ রানে ভাঙে তাঁর প্রতিরোধ। ৮৭ বলে তাঁর ইনিংসে ছিল চার বাউন্ডারি ও এক ছক্কা। মুশফিকের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। রানে তাঁকে ফেরান ডি সিলভা। ৭৬ বলে তাঁর ইনিংসে ছিল দুই বাউন্ডারি ও এক ছক্কা। মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ ফেরার পর শেষের দিকের ব্যাটসম্যানদের ওপর ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৫৭ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার হয়ে বল হাতে ১০ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন ডি সিলভা। সমান একটি করে নিয়েছেন দুশমন্থ চামিরা, লাকসান সান্দাকান ও দানুশকা গুনাথিলাকা। সংক্ষিপ্ত স্কোর বাংলাদেশ : ৫০ ওভারে ২৫৭/৬ (তামিম ৫২, লিটন দাস ০, সাকিব ১৫, মুশফিক ৮৪, মিঠুন ০, মাহমুদউল্লাহ ৫৪, আফিফ ২৭, সাইফউদ্দিন ১৩; উদানা ১০-১-৬৪-০, ডি সিলভা ১০-০-৪৫-৩, সান্দাকান ১০-০-৫৫-১, গুনাথিলাকা ২-০-৫-১, চামিরা ৮-০-৩৯-১)। শ্রীলঙ্কা : ৪৮.১ ওভারে ২২৪/১০ (গুনাথিলাকা ২১, পেরেরা ৩০, নিসানকা ৮, মেন্ডিস ২৪, ডি সিলভা ৯, বানদারা ৩, দাসুন ১৪, হাসারাঙ্গা ৭৪, উদানা ২১, চামিরা ৫, লাকশান ৮ ; মিরাজ ১০-০-৩০-৪, সাকিব ১০-০-৪৪-১, সাইফউদ্দিন ১০-০-৪৯-২, মুস্তাফিজ ৯-০-৩৪-৩, তাসকিন ৯-০-৬২-২)। ফল : বাংলাদেশ ৩৩ রানে জয়ী






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply