sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » হাওরের সব ধান কাটা শেষ, উৎপাদন বেড়েছে ১০ লাখ টন




হাওরের সব ধান কাটা শেষ, উৎপাদন বেড়েছে ১০ লাখ টন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বোরো ধানের উৎপাদন পরিস্থিতি ও কৃষির সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

দেশের হাওর এলাকায় উৎপাদিত বোরো ধানের শতভাগ ও সারা দেশের শতকরা ৬৪ ভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই অবশিষ্ট ধান কাটা শেষ হবে। সারা দেশে এ বছর ৪৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। গতবারের তুলনায় এবার উৎপাদন বেড়েছে ১০ লাখ টন। কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন। আজ সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বোরো ধানের উৎপাদন পরিস্থিতি ও কৃষির সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কৃষিমন্ত্রী। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাওরের শতভাগ ধান ঘরে তুলতে পারা অত্যন্ত আনন্দের ও স্বস্তির উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, হাওরভুক্ত সাতটি জেলায় এ বছর বোরো আবাদ হয়েছে নয় লাখ ৪৬ হাজার ৫৩৪ হেক্টর জমিতে, যা দেশের মোট আবাদের প্রায় ২০ শতাংশ। আর শুধু হাওরে আবাদ হয়েছে চার লাখ ৫১ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে। ধানকাটা মেশিন দ্রুত মাঠে দেওয়া এবং সরকারি তত্ত্বাবধানে শ্রমিকদের সময়মতো যাতায়াত সুগম করার ফলেই এ বছর দ্রুততার সঙ্গে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, গত বছর একই তারিখে সারা দেশের মাত্র ৩৩ ভাগ ধান কর্তন সম্ভব হয়েছিল। এবার ধান কাটার মেশিন ও শ্রমিকের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখার ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী জানান, এ বছর শুধু হাওরভুক্ত সাত জেলাতেই বহিরাগত শ্রমিক আনা হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার। ধান কাটতে দুই হাজার ৬২০টি কম্বাইন হারভেস্টার ও ৭৮৯টি রিপার মাঠে চলমান আছে। প্রতি বছর কৃষকদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের ক্ষেত্রে এটি নতুন মাত্রাযোগ করেছে। এতে একদিকে শ্রমিক সংকট থাকলেও দ্রুত ধান কাটা যাচ্ছে, অন্যদিকে উৎপাদন খরচ কমার ফলে কৃষক লাভবান হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। ড. আবদুর রাজ্জাক জানান, অঞ্চলভেদে ৫০-৭০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে ধান কাটাসহ অন্যান্য কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে। এটি সারা বিশ্বে একটি বিরল ঘটনা। মন্ত্রী বলেন, এ বছর বোরোতে দুই কোটি পাঁচ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল এক কোটি ৯৬ লাখ টন। এখন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আঘাত না এলে বোরো ধান উৎপাদনে আর কোনো প্রভাব পড়বে না বলে আশা করা যায়। গত বছরের তুলনায় কমপক্ষে ১০ লাখ টন উৎপাদন বেশি হবে। মন্ত্রী জানান, বোরো ধান দেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বছরে মোট উৎপাদিত চালের ৫৫ ভাগের বেশি আসে এ বোরো থেকে। বছরে যে পরিমাণ বোরো উৎপাদন হয়, তার আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ৭৫ হাজার কোটি টাকা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply