sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঈদের ছুটি বাড়েনি, থাকতে হবে কর্মস্থলেই




ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ছুটি বাড়ানোর জন্যে গার্মেন্টস শ্রমিক নেতারা যে দাবি তুলেছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। ফলে এবার তিনদিনই থাকছে ঈদের ছুটি। তিনি বলেছেন, ঈদে সরকারি ছুটি তিন দিনই। এর বেশি দেয়ার এখতিয়ার নেই আমাদের। তবে যদি কোনো কারখানা মালিক ও শ্রমিক সমন্বয় করে ছুটি বাড়ায় তাহলে বাড়াতে পারেন। সেক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবশ্যই নিজ নিজ কর্মস্থল এলাকায় থাকতে হবে। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন রোববার রাজধানীর শ্রম ভবনে আয়োজিত ‘আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ (টিসিসি)’ সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান কচি, বিকেএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমসহ শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের ওভারটাইম করাবেন কি-না ছুটি দেবেন, সেটি মালিক ও শ্রমিক পক্ষ নির্ধারণ করবেন। তিনি বলেন, সরকারি ছুটি তিন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে অনেক গার্মেন্টসে পাঁচ থেকে সাত দিন ছুটি দিয়েছে। ছুটি যাই হোক কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে। এখনও যেসব গার্মেন্টস চালু রয়েছে। তারা যদি মনে করেন ছুটি বাড়াবেন, শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে বাড়াতে পারেন। করোনা মিডেল এ্যাড অনুষ্ঠানে আগামীকালের মধ্যে সব গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এর আগে আলোচনা পর্বে সরকার ঘোষিত তিন দিনের ছুটির পরিবর্তে পোশাক শ্রমিকদের জন্য পাঁচ দিন করার দাবি জানান গার্মেন্ট শ্রমিক নেতারা। গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, বছরে দুটি ঈদ উদযাপন করে। তাই শ্রমিকরা তিন দিনের ছুটি মানতে পারছেন না। ছুটি আরও দুদিন বাড়ানোর দাবি করছি। ইউনিয়ন গার্মেন্টস শ্রমিকদের সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় দুই কোটি লোক রয়েছে। এর মধ্যে এক কোটি ২৫ লাখ শ্রমিক অন্যান্য সেক্টরে কাজ করছে। তারা ঈদ আনন্দ করতে গ্রামে যাচ্ছে। তাদের বেলা করোনা হচ্ছে না। করোনা কেবল গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য। ছুটি আরও বাড়ানো হোক। বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি সালাহউদ্দিন স্বপন বলেন, বছরের স্বজনদের সঙ্গে দুবার ঈদে মিলিত হন শ্রমিকরা। সারা বছর কষ্ট করে মেশিন চালিয়ে কাজ করেন এই দিনে ছুটির আশায়। গ্রামে গিয়ে বাবা-মার সঙ্গে ঈদ করবেন। এবার করতে পারছেন না। ফলে মিরপুর ও কচুক্ষেতে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি হয়েছে। এটা বেড়ে গেলে সমস্যা হবে। শ্রমিক নেতাদের ছুটি বাড়ানোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি এম এ মান্নান কচি বলেন, আমরা ছুটি বাড়াতেও প্রস্তুত। সরকার ছুটি বাড়ালে আমরা বাড়াবো। ছুটি দিতে আমাদের আপত্তি নেই। একই কথা বলেছেন বিকেএমইএর সহ-সভাপতি হাতেম।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply