sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ঈদ উদযাপন করব, অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে : প্রধানমন্ত্রী




আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি : সংগৃহীত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন, করোনার অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের মানুষ যেন অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করে। তিনি দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, আবেগের বশবর্তী হয়ে এমন কোনো কাজ যেন কেউ না করেন যাতে সংক্রমণের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে সরকারপ্রধান এই আহ্বান জানান। এ সময় তিনি দেশবাসী ও বিদেশে বসবাসরত সব বাঙালিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি এই করোনাকালে যেসব চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মী নিজের বাজি রেখে মানুষের সেবা দিচ্ছেন তাদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের সভাপতি সারা বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বলেন, বিগত এক বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্ব এক গভীর সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। কোভিড-১৯ নামক এক মরণঘাতী ব্যাধি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতাসম্পন্ন এই ভাইরাস একদিকে যেমন অগণিত মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে, অন্যদিকে ক্ষতিসাধন করছে মানুষের জীবন-জীবিকার। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং অর্থনীতির উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এই ভাইরাস। ‘গত বছরের শেষদিকে যখন বিশ্বব্যাপী সংক্রমণ অনেকটা কমতে শুরু করেছিল, তখন সবার সঙ্গে আমরাও আশান্বিত হয়েছিলাম যে বিশ্ববাসী বুঝি এই মরণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। কিন্তু মার্চের মাঝামাঝি থেকে দ্বিতীয় ঢেউ আমাদের সকল পরিকল্পনা ও প্রত্যাশাকে নৎস্যাৎ করে দেয়।’ মানুষের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়, কাজেই জনসমাগম এড়াতে না পারলে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ কারণে কষ্ট হবে জেনেও আমরা বাধ্য হয়েছি মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে। দোকানপাট, শপিংমলসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু রাখতে হচ্ছে। একই কারণে গণপরিবহন চলাচলের উপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।’ এমনি এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে এবারও আমাদের ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ঈদ উদযাপন করব, তবে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে। কোনোভাবেই এই ঈদ উদযাপন যাতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির উপলক্ষ্য হয়ে না উঠে, সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। জনগণের প্রতি অনুরোধ: আপনারা আবেগের বশবর্তী হয়ে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে যাবেন না। অনেকের কোনো বাহ্যিক লক্ষণ না থাকায় আপনি বুঝতে পারবেন না আপনার পাশের ব্যক্তিটিই করোনাভাইরাস বহন করছে। এর ফলে আপনি যেমন করোনাভাইরাসের ঝুঁকিতে পড়বেন, তেমনি আপনার নিকটাত্মীয় বা পাড়া-প্রতিবেশীকে ঝুঁকির মুখে ফেলবেন। মনে রাখবেন, সবার উপরে মানুষের জীবন। বেঁচে থাকলে আসছে বছর আবার আমরা আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারব।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে গত বছরের মতো এ বছরও ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মসজিদে মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে।’ সরকারপ্রধান দেশবাসীর আহ্বান জানিয়েছেন, ‘আসুন, আমরা সবাই যে যেখানে আছি সেখান থেকেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করি। বিত্তবান যাঁরা আছেন বা যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁদের প্রতি অনুরোধ, এই দুঃসময়ে আপনার দরিদ্র প্রতিবেশী, গ্রামবাসী বা এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়ান। তাঁদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। আপনার সাহায্য হয়তো একটি পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটাবে। দেখবেন, তাঁদের হাসিমুখ আপনার হৃদয়মনকেও পরিপূর্ণ করে তুলবে ঈদের আনন্দে। মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় কর্তব্য। আমরা যেন এই কর্তব্যকর্ম ভুলে না যাই






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply