sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ইসরায়েলের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী কে এই নাফতালি বেনেট




ইসরায়েলে জোট সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দেশটির বিরোধীদলগুলো। রোববার (৩০ মে) মধ্যপন্থী দল ইয়েস আতিদের নেতা ইয়ার লাপিডের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিতে রাজি হয়েছেন উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতা নাফতালি বেনেট। আর এতেই মসনদ হারাতে বসেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যদিও জোট সরকার ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন ১২ বছর ধরে দেশটির ক্ষমতায় থাকা নেতানিয়াহু। সম্প্রতি দেশটিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মাত্র ৬টি আসনে জয়ী বেনেটই হতে যাচ্ছেন দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, চুক্তি অনুযায়ী আগামী দু’বছরের জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হবেন বেনেট। এরপর পরবর্তী দুবছর সরকার চালাবেন লাপিড। দুপক্ষের চুক্তি শেষে এক টেলিভিশন বক্তব্যে বেনেট বলেন, ইসরায়েলকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতেই জোট সরকারে যাচ্ছেন তিনি। ইয়ামিনা পার্টির প্রধান নাফতালি বেনেট বলেন, ইসরায়েলের ভালোর জন্যই আমার বন্ধু লাপিডের সঙ্গে জোট বাঁধতে যাচ্ছি। আমরা একসঙ্গে ইসরায়েলকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। বেনেটের চুক্তিতে রাজি হওয়ার পরপরই ক্ষমতা চলে যাওয়ার ভয় ধরেছে নেতানিয়াহুর মাঝে। বেনেটকে বিশ্বাসঘাতক বলে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, তাদের এই জোট দেশকে আরও পিছিয়ে নিয়ে যাবে। নেতানিয়াহু বলেন, তারা ইসরায়েলের জন্য কী করবে? আমাদের শত্রুদের তারা মোকাবিলা করবে কীভাবে? ইরান ও গাজা নিয়ে তাদের অবস্থান কী হবে? ওয়াশিংটনে তারা কী বলবে? এরকম অনেক প্রশ্ন আছে। তারা চায় দেশকে অনিরাপদের দিকে নিয়ে যেতে। গত মার্চে অনুষ্ঠিত ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে ১২০ আসনের মধ্যে বিনইয়ামিন জোট পায় ৫২টি আসন। পক্ষান্তরে মধ্যপন্থী দল ইয়েস আতিদের জোট পায় ৫৭টি আসন। বেনেট যোগ দেওয়ায় এই সংখ্যাটি এখন ৬৩-তে দাঁড়িয়েছে। দেশটির ক্ষমতায় বসতে ৬১টি আসনের প্রয়োজন। আগামী বুধবারের (২ জুন) মধ্যে নতুন সরকার গঠন হতে পারে ইসরায়েলে। কে এই নাফতালি বেনেট? নাফতালিকে ‘উগ্র-জাতীয়তাবাদী’ কিংবা ‘ডানপন্থী ধর্মীয় বক্তা’ হিসেবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন বংশোদ্ভূত বেনেট স্পেশাল ফোর্সের সাবেক কমান্ডো। রায়ানা শহরে চার সন্তান এবং স্ত্রী নিয়ে বসবাস তার। মিলিয়নিয়ার এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ২০০৫ সালে নিজের স্টার্টআপ কোম্পানি বিক্রি করে রাজনীতিতে আসেন। পরের বছর নেতানিয়াহুর চিফ অব স্ট্যাফ নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে নেতানিয়াহুর অফিস ছেড়ে দখলকৃত ওয়েস্ট ব্যাংকে ইহুদি সেটেলারদের হয়ে লবিং করা ইয়েসা কাউন্সিলের প্রধান হন তিনি। ২০১২ সালে তিনি কট্টর ডানপন্থী জিউস হোম পার্টির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৩ সালে ফিলিস্তিনিদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়েছিলেন বেনেট। সাম্প্রতিক সময়েও তিনি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে কথা বলে আলোচনা আসেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply