sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ভারতে মডার্নার ভ্যাকসিন অনুমোদন




ভারত জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে মডার্নার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন। দেশটিতে সংক্রমণ ও মৃত্যু অনেক বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে তাদের ভ্যাকসিন কর্মসূচি জোরদার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার এ টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হলো। খবর এএফপি’র। একশ’ ৩০ কোটি জনসংখ্যার বিশাল দেশ ভারতে গত এপ্রিল ও মে মাসে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়ে যেতে দেখা যায়। এর ফলে দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারে ভেঙ্গে পড়ে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সের পর নয়াদিল্লীর অনুমোদন দেয়া মডার্নার টিকা হচ্ছে চতুর্থ। এটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ভারত বায়োটেক এবং রাশিয়ার স্পুটনিক ভি তৈরি করেছে। সরকারি উপদেষ্টা কমিটি এনআইটিআই আয়োগের সদস্য বিনোদ পল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘আমি আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে ভারত তাদের অংশীদার সিপলার মাধ্যমে মডার্না থেকে পাওয়া জরুরি টিকা ব্যবহার অনুমোদনের (ইইউএ) একটি আবেদন মঞ্জুর করেছে।’ তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে তৈরি করা অন্য যেসব টিকা রয়েছে সেসব, বিশেষকরে ফাইজার এবং জে অ্যান্ড জে (জনসন অ্যান্ড জনসন) এর টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’ পল আরো বলেন, এ অনুমোদন বিদেশে তৈরি অন্য টিকাগুলো ভারতে আমদানি করার পথ উন্মোচন করে দেবে। গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে স্পুটনিক ভি টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়ার পর স্বল্প সংখ্যক এ টিকা ভারতে আমদানি করা হয়েছে। তবে ভারতের অধিকাংশ নাগরিক কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সের মতো দেশে তৈরি টিকা পাওয়া আশা করেন। দুই মাস আগে ভারত জানায়, এটি হবে দেশের বাইরে তৈরি ভ্যাকসিন অনুমোদনের প্রথম ধাপ যা ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতো প্রধান নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। ফাইজার ও মডার্নার মতো বিদেশি ভ্যাকসিন আমদানির অনুমোদন দেয়ায় ভারতের ঝিমিয়ে পড়া টিকাদান কর্মসূচি জোরদারে সরকার চাপের মুখে পড়েছিল। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ভারতে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩২ কোটি ৭০ লাখ ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। তবে ভারতের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর মাত্র ছয় শতাংশ উভয় ডোজ টিকা নিয়েছে। ভারত হচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংক্রমিত দেশ। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে তিন কোটিরও বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় তিন লাখ ৯৮ হাজার লোক এ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply