sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ২৫০০ শিক্ষকের নিয়োগ স্থগিত হয়নি, শুনানি ২৭ জুন




মঙ্গলবার হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে এনটিআরসিএর করা আবেদনের শুনানিতে আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারী আড়াই হাজার জনকে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেননি আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। মঙ্গলবার (২২ জুন) হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে এনটিআরসিএর করা আবেদনের শুনানিতে আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন। এনটিআরসিএর আইনজীবী মো. কামারুজ্জামান বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, স্থগিতাদেশ না দিয়ে বিষয়টি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ২৭ জুন নির্ধারণ করে দিয়েছেন আদালত। গত ৩ জুন আড়াই হাজার নিবন্ধনধারীকে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশের লিখিত আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ আদেশ স্থগিত চেয়ে গত ১৩ জুন আপিল বিভাগে আবেদন করে এনটিআরসিএ। গত ৩১ মে এনটিআরসিএ কর্তৃক ১ থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারী ২ হাজার ৫০০ জনকে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চার সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগের সুপারিশ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ৫৪ হাজার নিবন্ধনধারীকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি স্থগিতের আদেশ রি-কল করেন আদালত। এনটিআরসিএর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার শুনানি নিয়ে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এরও আগে গত ৭ মার্চ এনটিআরসিএর ১ থেকে ১২তম নিবন্ধনধারীদের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের সুপারিশ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি নিবন্ধনধারীদের নিয়োগসংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ও বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ওই আদেশ বাস্তবায়নের আগেই এনটিআরসিএ ৫৪ হাজার নিবন্ধনধারীকে নিয়োগের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে। এরপর এ বিষয়ে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করেন রিটকারীরা। পরে ৫৪ হাজার নিবন্ধনধারীকে নিয়োগের বিষয়ে ওই গণবিজ্ঞপ্তির কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্ট। জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট একটি রায় দেন। ওই রায়ে কয়েক দফা নির্দেশনার মধ্যে একটি ছিল সম্মিলিত মেধা তালিকা অনুযায়ী রিট আবেদনকারী এবং অন্যান্য আবেদনকারীদের নামে সনদ জারি করবে। কিন্তু দুই বছরেও রায় বাস্তবায়ন না করায় রিট আবেদনকারীরা আদালত অবমাননার আবেদন করেন






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply