sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » অল্পের জন্য বিশ্ব রেকর্ড হলো না মাহমুদউল্লাহ-তাসকিনের




ম্যাচ শেষে তাসকিন ও মাহমুদউল্লাহকে বাকিদের অভিবাদন। ছবি : সংগৃহীত হারারেতে বাংলাদেশের হয়ে নবম উইকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ে ফেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ ও তাসকিন আহমেদ। বিশ্ব রেকর্ড হওয়া থেকে দুজন ছিলেন মাত্র ৪ রান দূরে। কিন্তু ওই ৪ রান আসা পর্যন্ত টিকলেন না তাসকিন। ইতিহাস গড়ার এত কাছে গিয়েও অল্পের জন্য বিশ্ব রেকর্ড গড়তে পারলেন না তাসকিন-মাহমুদউল্লাহ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৪৬৮ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। এই ইনিংস গড়তে দারুণ জুটি উপহার দেন তাসকিন ও মাহমুদউল্লাহ। গতকাল বুধবার শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নামা এই জুটি টিকেছে আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত। দুজনে মিলে নবম উইকেটে গড়েছেন ১৯১ রানের জুটি। আর মাত্র ৪ রান হলেই হয়ে যেত বিশ্ব রেকর্ড। কিন্তু ওই সময়ই ৭৫ রানে মিল্টন শুম্বার বলে বোল্ড হয়ে যান তাসকিন। তাই ছোঁয়া হলো না বিশ্ব রেকর্ড। তবে মার্ক বাউচার ও প্যাট সিমকক্সের পর মাহমুদউল্লাহ-তাসকিনের এই জুটিই এখন নবম উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি। ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার মার্ক বাউচার ও প্যাট সিমকক্স নবম উইকেটে গড়েন ১৯৫ রানের জুটি। ওই জুটিই এখন পর্যন্ত নবম উইকেটে সর্বোচ্চ। আজ মাহমুদউল্লাহ ও তাসকিনের জুটি ছাড়িয়ে যায় ১৯৬৭ সালে গড়া পাকিস্তানের ইন্তিখাব আলম ও আসিফ ইকবালের ১৯০ রানের জুটি। কিন্তু আর চার রানের জন্য হয়নি এক নম্বরে যাওয়া। ম্যাচটিতে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৫০ রান করেছেন ১৬ মাস পর টেস্টে ফেরা মাহমুদউল্লাহ। এটিই টেস্টে তাঁর ব্যাক্তিগত সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ১৪৬ রান। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তাসকিন আহমেদও দারুণ খেলেছেন। যেখানে দলের নিয়মিত ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হয়েছেন। সেখানে এই পেসার যেন বনে গেছেন পুরোদস্তুর ব্যাটসম্যান। ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত করেছেন ৭৫ রান। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১ বাউন্ডারি দিয়ে। এর আগে ২০১৭ সালে ক্রাইস্টচার্চে করেছিলেন ৩৩ রান। সেটিই ছিল টেস্টে তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর। আজ সেটিকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। টেস্টে নবম উইকেটে সেরা পাঁচ জুটি ১. মার্ক বাউচার-প্যাট সিমকক্স : ১৯৫ রান (দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান, ১৯৯৮)। ২. মাহমুদউল্লাহ -তাসকিন আহমেদ : ১৯১ রান (বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে, ২০২১)। ৩. আসিফ ইকবাল-ইন্তিখাব আলম : ১৯০ রান (পাকিস্তান-ইংল্যান্ড, ১৯৬৭)। ৪. মাহমুদউল্লাহ-আবুল হাসান রাজু : ১৮৪ রান (বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০১২)। ৫. জেপি ডুমিনি-ডেল স্টেইন- ১৮০ রান (দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া, ২০০৮)।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply