sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছাড়লেন নেতানিয়াহু




নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হারানোর প্রায় এক মাস পর আনুষ্ঠানিকভাবে গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছেড়েছেন ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রোববার এ খবর জানিয়েছে ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। সংবাদ মাধ্যমটি জানায়, ক্ষমতা হারানোর পরও জেরুজালেমে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছাড়েননি ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। অতঃপর নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের দেওয়া ডেটলাইনের ৫ ঘণ্টা আগে তিনি আলোচিত বাসভবন ছাড়েন। এর আগে, গত ১৪ জুনের নির্বাচনে বেনেটের কাছে হেরে ক্ষমতা থেকে ছিটকে যান নেতানিয়াহু। ফলে শেষ হয় তার দীর্ঘ ১২ বছরের শাসনকাল। নাফতালি বেনেটের কাছে ক্ষমতা হারানো নেতানিয়াহু তার দীর্ঘ ১২ বছর ধরে থাকা আলোচিত সেই বাসভবন ছাড়েন। নেতানিয়াহু ২০০৯ সাল থেকে সেখানে বসবাস করে আসছিলেন। নেতানিয়াহু তার পরিবার নিয়ে উত্তর ইসরাইলের কেয়সারিয়া এলাকায় নিজেদের বাসায় গিয়ে উঠেন। নেতানিয়াহু ২০০৯ থেকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। পুরো সময়জুড়ে এ বাসভবনেই ছিলেন তিনি। এর আগে প্রথম দফায় ১৯৯৯ সালে নির্বাচনে হারার পর সরকারি বাসভবন ছাড়তে তার ছয় সপ্তাহ বেশি সময় লেগেছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন খালি হলেও ভবনে উঠছেন না নাফতালি বেনেট। বরং তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনে কার্যালয় হিসাবেই একে ব্যবহার করবেন। তার স্ত্রী ও চার সন্তান রানানা শহরে তাদের বাসভবনেই থাকবেন। গত সপ্তাহে নতুন সরকার গঠন করেন বেনেট। সরকার গঠনের বিষয়ে রোববার নেসেটের অধিবেশনে সদস্যদের আস্থা ভোট নেওয়া হয়। আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য জোট সরকারের পক্ষে সমর্থন দেন। এতে ১২ বছর দীর্ঘ শাসনের পর বিরোধী দলের আসনে গিয়ে বসেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলে সরকার গঠনে কোনো দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় গত দুই বছরের মধ্যে চার বার দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ মার্চের চতুর্থ নির্বাচনের পরও কোনো পক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। ইসরাইলি আইন পরিষদ নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য ১২০ আসনের মধ্যে ৬১ সদস্যের প্রয়োজন হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply