sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » যে কারণে গারসেট্টি ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত




লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ও জলবায়ু প্রবক্তা এরিক গারসেট্টিকে ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের চীনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই তাকে এই মনোনয়ন দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বিশ্বজুড়ে চীনের প্রভাব ও ক্ষমতা সম্প্রসারণ নিয়ন্ত্রণে নয়াদিল্লিকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে আসছে ওয়াশিংটন। যে কারণে এই রাষ্ট্রদূত মনোনয়নকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর রয়টার্সের ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেন-হ্যারিসের প্রচারশিবিরের সহ-প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাইডেন-অনুগত গারসেট্টি। ২০১৩ সাল থেকে তিনি লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাকে মনোনয়ন দেওয়ার পাশাপাশি তার একটি ছোট্ট জীবনীও প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। এতে দ্বি-দলীয় ‘জলবায়ু মেয়রস’ নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তার উদ্যোগে চার শতাধিক মেয়র প্যারিস জলবায়ু চুক্তি মেনে নিয়েছে। বর্তমানে সি৪০ সিটিজের প্রধানের দায়িত্বে আছেন গরসেট্টি। এই নেটওয়ার্কের অধীন বিশ্বের ৯৭টি বড় শহর জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ রেখেছে। ভারতেও এই সংস্থার কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হয়েছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশে ভারত। এ ক্ষেত্রে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পরেই দক্ষিণ এশীয় দেশটি। যদিও বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনীতির তুলনায় ভারতে জনপ্রতি হিসাবে গ্রিন গ্যাস নির্গমন অনেকটা কম। তবুও ২০১৫ সাল নাগাদ অর্থনীতিতে কার্বন নির্গমন শূন্যে নিয়ে আসতে মার্কিন চাপে আছে ভারত। এক বিবৃতিতে গারসেট্টি বলেন, ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মনোনয়ন গ্রহণের মাধ্যমে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। এখন সিনেটে এই মনোনয়ন নিশ্চিত করা হবে। গারসেট্টি একজন রোডেস স্কলার। তিনি অক্সফোর্ড ও লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্সে লেখাপড়া করেছেন। তিনি দক্ষিণপূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণপূর্ব আফ্রিকায় জাতীয়তাবাদ, জাতিসত্তা, মানবাধিকার নিয়েও মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন। মার্কিন নৌবাহিনীর রিসার্ভ কম্পোনেন্টের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে একযুগ কাটিয়েছেন এই মেয়র। যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিটের অধীন কাজ করেছেন। এছাড়া দেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থায়ও ছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে একজন লেফটেন্যান্ট হিসেবে অবসর নিয়েছেন। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চাচ্ছেন বাইডেন। বিশেষ করে চীনবিরোধী কথিত কোয়াড গ্রুপের মাধ্যমে এই সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে। এতে অস্ট্রেলিয়া ও জাপানও রয়েছে। তারা চীনের বিষয়ে নিজেদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত মার্চে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক হওয়ার পর অবকাঠামোখাতে জোর দিয়ে চলতি বছরে কোয়াড নেতাদের একটি সম্মেলনের আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিলেন বাইডেন। এছাড়া ২০২২ সালের শেষ নাগাদ দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে দশ লাখের বেশি করোনার টিকা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল ওই বৈঠকে। এই টিকা আসবে ভারতীয় ওষুধ উৎপাদক বায়োলজিক্যাল ই লিমিটেডের মাধ্যমে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply