sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » লিটনের সেঞ্চুরি, সাকিবের ৫ উইকেটে দাপুটে জয় বাংলাদেশের




হারারেতে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১৫৬ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দেয়া ২৭৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২৮ ওভার ৫ বলে ১২১ রান তুলতেই সব উইকেট হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। তবে জিম্বাবুয়ের শেষ ব্যাটসম্যান টিমচিন মারুমা ব্যাট করতে পারেননি চোটের কারনে। তাই শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে নামা নাগারভাকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন সাকিব আল হাসান। সাকিবের চার উইকেট: অর্ধশতক হাঁকানো রেগিস চাকাভাকে ৫৪ রানের মাথায় ফিরিয়ে চার উইকেট তুলে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বিপাকে পড়েছে জিম্বাবুয়ে, তারা ১১৯ রানেই হারিয়েছে ৮ উইকেট। চাকাভার ফিফটি: শরিফুল ইসলামকে ছয় হাঁকিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অর্ধশতক তুলে নিয়েছেন রেগিস চাজাভা। মুজারাবানিকে ফেরালেন সাকিব: ব্লেসিং মুজারাবানিকে চতুর্থ শিকার বানালেন সাকিব আল হাসান। দলীয় ১০৮ রানের মাথায় এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান মুজারাবানিকে। ষষ্ঠ উইকেট পতন: ২১.২ ওভারের সময় শরিফুলের বলে রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফিরেছেন লুক জঙ্গি (০)। সাকিবের দ্বিতীয় শিকার: ১৪.২ ওভারের সময় ব্রেন্ডন টেইলরের উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। টেইলরকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ওয়ানডের রেকর্ডে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাকে (২৬৯) পেছনে ফেলেন তিনি। এরপর ২০.৩ ওভারের সময় ফিরিয়েছেন রায়ান বার্লকেও। দুই সেরা ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বিপাকে পড়েছে জিম্বাবুয়ে। দলটির সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১০৫ রান ২১ ওভার শেষে। সাকিব ফেরালেন টেইলরকে: ব্যাট হাতে নিষ্প্রভ সাকিব আল হাসান বল হাতে আভাস দিয়ে রাখলেন জ্বলে ওঠার। জিম্বাবুয়ের অধিনায়ককে ফেরালেন দলীয় ৭৮ রানের মাথায়। ব্রেন্ডন টেইলর বরাবরই ভয়ানক বাংলাদেশের সামনে। আজ ভয়ানক হয়ে ওঠার আগেই ফিরিয়ে দিলেন ২৪ রানের মাথায়। উড়িয়ে মারতে গিয়ে ফাইন লেগ অঞ্চলে ক্যাচ দিয়েছেন তাসকিনের হাতে। জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১৪ ওভার ২ বলে ৪ উইকেটে ৭৮ রান। শরিফুলের শিকার মায়ার্স: পেসারদের দখলে ম্যাচ। শুরুতে সাইফউদ্দিন, এরপর তাসকিন আর তৃতীয় উইকেট নিলেন শরিফুল ইসলাম। পুল করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ারে মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডিওন মায়ার্স ফিরেছেন ১৮ (২৪) রান করে। জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৪৯ রান। মাধবেরেকে ফেরালেন তাসকিন: ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাইফউদ্দিনের বলে বোল্ড হয়ে শূন্য রানে ফেরেন মারুমানি। পঞ্চম ওভারে তাসকিন ফিরিয়েছেন আরেক ওপেনার ওয়েসলে মাধবেরেকে। ৯ রান করে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন সাজঘরে। জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৩ রান। সাইফের প্রথম শিকার: বাংলাদেশের দেয়া ২৭৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ওপেনার তাইদওয়ানশে মারুমাকে দলীয় ৪ রানের মাথায় শূন্য রানে ফিরিয়েছেন সাইফউদ্দিন। লিটনের শতকে বিপদ কাটিয়ে বড় সংগ্রহ বাংলাদেশের শুরুটা ইঙ্গিত দিচ্ছিল খারাপ কিছুর। হারারেতে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দুই ওভারে কোনও রান নিতে পারেনি বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে তামিম ইকবালকে ফিরতে হয় ব্লেসিং মুজারাবানির বলে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে। এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন সাকিব আল হাসান (১৯), মোহাম্মদ মিঠুন (১৯), মোসাদ্দেক হোসেনরা (৫)। লিটন দাস একপাশ আগলে রেখে মাহমুদউল্লাহ’র সঙ্গে জুটি বেঁধে স্কোর-বোর্ডে যোগ করেন ৯৩ রান। মাহমুদউল্লাহ ৩৩ রানে বিদায় নিলে আফিফ হোসেনের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি বেঁধে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন দাস। তবে ১০২ রানের মাথায় নাগারভার বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেও লিটন মজবুত করে দিয়ে যান দলের ভিত। শেষে আফিফের ৪৫, মেহেদী মিরাজের ২৬ ও সাইফউদ্দিনের ৮ রানে ভর করে ৯ উইকেটে ২৭৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের পক্ষে ৩ উইকেট নিয়েছেন লুক জঙ্গি। দুটি করে নিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি ও রিচার্ড নাগারভা। ১টি উইকেট নেন টেন্ডাই চাতারা। মিরাজ, আফিফকে ফেরালেন জঙ্গি: ৪৮.৩ ওভারের সময় দলীয় ২৬৫ রানের মাথায় মেহেদী মিরাজ ফিরেছেন ২৬ রান করে। একই ওভারের চতুর্থ বলে ৪৫ রান করা আফিফ হোসেনকেও ফিরিয়েছেন এই পেসার। লিটনকে ফেরাকেন নাগারভা: ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক পূর্ণ করে লিটন থামলেন ১০২ রান করে। দলের বিপদে একপাশ আগলে রেখে একাই বিপদ মুক্ত করেছেন দলকে। শেষ পর্যন্ত নাগারভার বলে দলীয় ২০৭ রানের মাথায় ওয়েলিংটন মাসাকাদজার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সাজঘরে। লিটন দাসের সেঞ্চুরি: ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক পূর্ণ করেছেন লিটন দাস। দলের বিপাকে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এই টাইগার ওপেনার। ১১০ বলে সেঞ্চুরি করতে বাউন্ডারি হাঁকান মাত্র ৮টি। মাহমুদউল্লাহ আউট: দলীয় ৮০ রানের ভেতর চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়লে লিটন দাসের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জুটিটা বেশ জমে উঠছিল কিন্তু হতাশ করলেন মাহমুদউল্লাহ। দুইজনের ৯৩ (১০৩) রানের জুটি ভেঙেছে রিয়াদের ৩৩ (৫৩) রানে বিদায়ে। লুক জঙ্গির বলে উইকেট রক্ষক চাকাভার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন দলীয় ১৬৭/৫ রানের মাথায়। লিটন দাসের ফিফটি: হারারেতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দলীয় একশ রান পূর্ণ করার আগেই চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এমন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়েও ৭৮ বলে লিটন দাস তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধশতক। লিটনের ব্যাটে ভর করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ। তার সঙ্গে উইকেটে আছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের দলীয় সংগ্রহ ২৮ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১২৫ রান। দলীয় ১০০ রান: ২৫ ওভার ৩ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে দলীয় ১০০ রান পূর্ণ করল বাংলাদেশ। মোসাদ্দে ফিরলেন: কুড়ি ওভার শেষের আগেই চার উইকেট নেই বাংলাদেশের। তামিম, সাকিব, মিঠুনের পর মোসাদ্দেক হোসেন ফিরলেন ৫ রান করে। দলীয় ৭৪ রানের মাথায় নাগারভার বলে চাকাভার হাতে ক্যাচ দিয়েছেন মোসাদ্দেক। মিঠুনের বিদায়: তামিম-সাকিবের বিদায়ের পর এবার বিদায় নিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। দলীয় ৫৭ রানের মাথায় টেন্ডাই চাতারার বলে ক্যাচ দিয়েছেন চাকাবার হাতে। সাকিব আউট: রানের খাতা না খুলে তামিমের বিদায়। এরপর লিটন দাসকে নিয়ে সাকিব কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও সেই মুজারাবানির বলে কাঁটা পড়েছেন। রায়ান বার্লের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ১৯ রান করে দলীয় ৩২ রানের মাথায়। তামিমের বিদায়: দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন তামিম ইকবাল। পেসার মুজারাবানির লাফিয়ে ওঠা বলে খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন টাইগার অধিনায়ক। প্রথম দুই ওভারে কোনো রান না নিয়ে চাপে পড়ে যান তামিম। তার খেসারত দিতে হয় ক্যাচ দিয়ে। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ হারারেতে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। আজ সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদি হাসান মিরাজ, শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। জিম্বাবুয়ে একাদশ: ওয়েসলে মাধভের, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ব্রেন্ডন টেলর, ডিয়ন মায়ার্স, টিমসেন মারুমা, রেগিস চাকাভা, রায়ান বার্ল, লুক জঙ্গি, টেন্ডাই চাতারা, ব্লেসিং মুজুরাবানি এবং রিচার্ড এনগারাভা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply