sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » লকডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধের’ তৃতীয় দিন চলছ




মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জারি করা ‘

ে। আজ শনিবার (৩ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, গত দুই দিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কঠোর অবস্থানের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার পরও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কসহ অলিগলিতে ‘অপ্রয়োজনে’ বের হচ্ছেন অনেকেই। এদিকে আগের মতোই তৎপর রয়েছে সেনা-পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবি-কোস্টগার্ড ও আনসারের সমন্বয়ে গঠিত একাধিক টিম। একইসঙ্গে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতেরও তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। আরও পড়ুন... ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করলো আরব আমিরাত আজ সকালেই বের হয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, জিগাতলা, ধানমন্ডির সাইন্সল্যাবরেটরি, পান্থপথ এলাকায় সেনা ও পুলিশের যৌথ তল্লাশি চলমান থাকতে দেখা গেছে। এমন কড়াকড়ি উপেক্ষা করেও নগরের উৎসুক জনতা- লকডাউন কেমন চলছে তা দেখতে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসছেন, তাদের কাউকে কাউকে বের হওয়া পক্ষে ঠুনকো অজুহাত দেখাতে দেখা গেছে। অথচ, সরকারের নির্দেশনা ছিলো- খুব জরুরি না হলে বের হওয়া যাবে না, আর জরুরি কাজে বের হলেও এ সংক্রান্ত প্রমাণ উল্লেখ করতে হবে। পরিস্থিতিতে সময় যতোই অতিক্রান্ত হচ্ছে ততোই বিধি ভঙ্গের কারণে ধরপাকড় করার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সড়কের মোড়ে মোড়ে এবং অলিগলিতে ব্যাপক তল্লাশিও অব্যাহত রেখেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত টিম। গতকাল শুক্রবার (০২ জুলাই) দ্বিতীয় দিনে লকডাউন দেখতে সড়কে বেরিয়ে পড়া ৩২০ জনকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) লকডাউনের প্রথম দিন ৫৫০ জনকে আটক করা হয়। চলমান লকডাউনের তৃতীয় দিন আজ সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঢাকায় অর্ধ শতাধিক লোককে আটক করা হয়েছে, যারা ‘অপ্রয়োজনে’ ঘর থেকে বের হয়েছেন। ধারনা করা হচ্ছে- আজ সন্ধ্যা নাগাদ এ আটকের সংখ্যা কয়েকশতে গিয়ে দাঁড়াবে। এর আগে গত দুই দিনের লকডাউনে দেখা যায়, গোটা রাজধানী থেকে আটককৃতদের কাউকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে, কারো কারো কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কাউকে নিয়মিত মামলা দিয়ে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। মাঠে কাজ করা সরকারের আইন প্রয়োগকারী যৌথ টিমের সদস্যরা বলছেন, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পরও যারা যৌক্তিক কারণ ছাড়া সড়কে বের হচ্ছেন কিংবা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করছেন, তাদেরকেই আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) থেকে ৭ দিনের জন্য কঠোর লকডাউন শুরু হয়। সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সারাদেশেই সেনা মোতায়েন করা হয়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় মাঠে রাখা হয়েছে ১০৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অফিস-আদালত, গণপরিবহন, শপিংমল বন্ধ। জরুরি সেবার গাড়ি ছাড়া সব যান্ত্রিক বাহন চলাচলেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। জনসাধারণকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই বিধিনিষেধের মধ্যে জরুরি কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে বের হলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ার করা হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply