sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ওয়ানডেতে তামিমের দ্রুততম সেঞ্চুরি




জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিমের সেঞ্চুরি। ছবি : টুইটার প্রথম দুই ওয়ানডেতে হাত খুলে খেলতে পারেননি তামিম ইকবাল। দল জিতলেও ব্যাট হাতে ভূমিকা রাখতে পারেননি। তবে শেষটিতে দলের সামনে যখন কঠিন লক্ষ্য। তখন ব্যাট হাতে ঠিকই জ্বলে উঠলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। চাতারার লেন্থ বল লং অন দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্পর্শ করেছেন ক্যারিয়ারের ১৪তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। তিন অঙ্কের ঘরের যেতে তাঁর লেগেছে ৮৭ বল। ওয়ানডেতে এটি তামিমের দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১০ সালে ৯৪ বলে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া দেশের বাইরে তামিমের সপ্তম সেঞ্চুরি এটি। আর অধিনায়ক হিসেবে ১৫ ইনিংসে প্রথম শতক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৬ মাস পর শতকের দেখা পেলেন বাঁহাতি এই ওপেনার। সবশেষ ২০২০ সালের মার্চে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই নিজের শেষ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন তামিম। ওইম্যাচে অপরাজিত ১২৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৯৯ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ব্যাটে উড়ন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ। কোনো উইকেট না হারিয়েই শুরুর জুটিতে ৫০ রান পার করেছে লাল-সবুজের দল। তবে মাঝপথে ৮৮ রানে ফিরে যান লিটন দাস। সতীর্থ ফিরে গেলেও সেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম। আজ মঙ্গলবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৪৯.৩ ওভারে ১০ উইকেটে ২৯৮ রান সংগ্রহ করেছে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেছেন চাকাভা। হারারের স্পোর্টস ক্লাবে টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। তবে শুরুতে বোলিং নেওয়ার সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি সফরকারীরা। জিম্বাবুয়ের প্রথম উইকেট নিতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয়েছে আট ওভার পর্যন্ত। নবম ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। ইনিংসের ৮.৪ ওভারে জিম্বাবুয়ের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন সাকিব। সাকিবের প্রথম ওভারে করা মিডল স্টাম্পে থাকা লেংথ বল মোকাবিলা করার চেষ্টা করেন বাঁহাতি টাডিওয়ানাশে মারুমানি। ব্যাটে-বলে হয়নি। বল লাগে প্যাডে। সঙ্গে সঙ্গে আবেদন তোলেন সাকিব। আবেদনে সাড়া দিতে খুব বেশি সময় নেননি আম্পায়ার। ১৯ বলে ৮ রান করে ফেরেন মারুমানি। ৩৬ রানে থামে উদ্বোধনী জুটি। এরপর ১৮তম ওভারে ব্রেন্ডন টেইলরকে ফেরান মাহমুদউল্লাহ। ২৮ রান করে তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন টেইলর। দিয়ন মায়ার্সকেও টিকতে দেননি মাহমুদউল্লাহ। ৩৪ রানে তাঁকে বোল্ড করেন মাহমুদউল্লাহ। মায়ার্সের উইকেটের না যেতেই আরেকটি ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। মুস্তাফিজের স্লোয়ার ডেলিভারি ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যাট আগে বাড়িয়ে ফেলেন ওয়েসলি মাধেভেরে। বল ব্যাটে লেগে গেলে সহজ ক্যাচ হয়ে যায় শর্ট মিড উইকেটে। বাংলাদেশকে বেশি ভুগিয়েছেন চাকাভা। সেই চাকাভার প্রতিরোধ শেষ পর্যন্ত ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। ৩৪.১ ওভারে তাসকিনের ফুল লেংথ স্ট্যাম্প সোজা বলটিতে বাজেভাবে ক্রস ব্যাটে ফ্লিকের মতো করার চেষ্টা করেন চাকাভা। ব্যাটে তো লাগেইনি বল। উল্টো উড়ে যায় স্ট্যাম্প। ৯১ বলে ৮৪ রান করে থামেন চাকাভা। চাকাভা ফেরার পর বাংলাদেশের মাথা-ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ান সিকান্দার ও রায়ান বার্ল। এই জুটিতেই শক্ত পুঁজি পায় জিম্বাবুয়ে। দুজনেই হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত সিকান্দার করেন ৫৭ রান। বার্ল করেন ৫৯ রান






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply