sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন




স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক, দেশবরেণ্য গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জোহরের নামাজের পর দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তার দাফন সম্পন্ন হয়। ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেলা ১১টায় পল্লীমা সংসদে ফকির আলমগীরের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর ১২টায় ফকির আলমগীরের মরদেহ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সবশেষ বাদ যোহর রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে শেষ জানাজা শেষে তাকে তালতলা কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে, দুপুর পৌনে ১২টায় তার মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হয়। সেখানে তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আর সকালেই খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদ মাঠে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর বেলা ১১টার দিকে তাকে `গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা, গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ফকির আলমগীর এর মৃত্যুতে শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্টজনরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শোক বার্তায় রহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। শোকাহত পরিবারের সদস্য ও ফকির আলমগীরের অগণিত ভক্তের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। ফকির আলমগীর ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে তাকে বহুবার দেখা গেছে। তিনি ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শামিল হন এ গণসংগীত শিল্পী। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। তিনি একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়। জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান’, ‘গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান’, ‘আমার কথা’, ‘যারা আছেন হৃদয় পটে’সহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply