Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » বিশ্বে করোনায় মৃত্যুতে বাংলাদেশ দশম




কঠোর বিধিনিষেধেও সংক্রমণ-মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে (৯ জুলাই পর্যন্ত) বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, এমন দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দশম। এরই মধ্যে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিশ্বে করোনায় মৃত্যুতে বাংলাদেশ দশম এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে রোববার আরও ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৪১৯ জনে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৮৭৪ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১০ লাখ ২১ হাজার ১৮৯ জনে। গত ১০ দিনে প্রায় এক লাখ কোভিড রোগী শনাক্ত হওয়ার পর সংক্রমণ ও মৃত্যুতে নতুন রেকর্ড গড়ার প্রেক্ষাপটে অধিদপ্তর বলছে, এই ধারা চলতে থাকলে এক সপ্তাহ পর আর কোনো আইসিইউ ফাঁকা পাওয়া যাবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুর দিক থেকে গত এক সপ্তাহে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল, দ্বিতীয় স্থানে ভারত। নতুন রোগী শনাক্তের দিক থেকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। অবশ্য নতুন রোগী শনাক্তের রেকর্ড হলেও গত কয়েক দিনের তুলনায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার কিছুটা কমেছে। নমুনা পরীক্ষাও অনেক বেড়েছে। এই সময়ে মোট ৪০ হাজার ১৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়, যা একদিনে সর্বোচ্চ। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ছিল ২৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় এপ্রিল থেকেই নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এরপর স্থানীয় পর্যায়ে বিধিনিষেধ দিয়েও ফল না আসায় গত ১ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন জারি করা হয়। ডা. রোবেদ আমিন বলেন, সংক্রমণ এখনও বেড়েই চলেছে। অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে, হাসপাতালের সব খালি বেড পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তাহলে পরিস্থিতি অত্যন্ত করুণ হয়ে যাবে। তখন সবাই মিলে বিপদে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে। বিভাগওয়ারি আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাব তুলে ধরে তিনি জানান, ২৪ ঘণ্টায় (শনিবারের হিসাব) ঢাকা বিভাগে মৃত্যুর সংখ্যা ৭০, চট্টগ্রামে ২০, রাজশাহীতে ১৩, খুলনায় ৫১। রোববার ঢাকা বিভাগে মৃত্যু কমে ৫৬-তে নামলেও খুলনায় ৬৬-তে উঠেছে। চট্টগ্রামে মৃত্যু ঘটেছে ৩৯ জনের, রাজশাহীতে ২৬ জনের। রোগী শনাক্তের হার ঢাকায় ৪৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ১৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, খুলনায় ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ বলেও জানান ডা. রোবেদ আমিন। তিনি জানান, জুন মাসে এক লাখ ১২ হাজার ৭১৮ জন রোগী শনাক্তের পর জুলাইয়ের প্রথম ১০ দিনেই তা প্রায় এক লাখ বেড়ে গেছে। এখন ঢাকায় মাত্র ১৮শ’র মতো শয্যা খালি আছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যেভাবে সংক্রমিত হচ্ছি, হাসপাতালে রোগীর চাপ যদি বাড়তেই থাকে তাহলে আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই সংখ্যাগুলো খালি দেখাবে না। বতর্মানে মাত্র ২১৮টি কোভিড আইসিইউ খালি আছে। বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ১ সপ্তাহ পর আর কোনো আইসিইউ বেড খালি থাকবে না।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply