sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ফের হাসপাতালে ভর্তি বুদ্ধদেব গুহ




ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক বুদ্ধদেহ গুহ শ্বাসকষ্টসহ একাধিক সমস্যা নিয়ে ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত তিন দিন ধরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৮৫ বছর বয়সী এ লেখক। ফের হাসপাতালে ভর্তি বুদ্ধদেব গুহ বুধবার (৪ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) তার রক্তচাপ কমে যাওয়ায় এবং শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তরিত করা হয়। চলতি বছরের এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই নানা সমস্যায় ভুগছিলেন এ সাহিত্যিক। হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার পাশাপাশি বুদ্ধদেবের মূত্রনালীতে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এছাড়া তার লিভার এবং কিডনিতেও সামান্য সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। বুদ্ধদেবের করোনা পরীক্ষা করা হলে তাতে সংক্রমণ মেলেনি। দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভোগা বুদ্ধদেব বয়সজনিত সমস্যাতেও ভুগছেন। তবে মূত্রনালীর সংক্রমণই এখন মূল সমস্যা বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। পাশাপাশি বুদ্ধদেবের দেহ অ্যামোনিয়ার মাত্রাও বেশি ধরা পড়েছে। হাসপাতাল সূত্রের বরাতে আরও জানানো হয়েছে, প্রয়োজনে তাকে প্রতি মিনিটে ২ লিটার করে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে। তাকে গ্যাস্ট্রোএনট্রোলজিস্ট, পালমোনোলজিস্ট, নেফ্রোলজিস্ট এবং কার্ডিওলজিস্টদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব। সেই সময় শহরের একটি হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর তাকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৩৩ দিনের লড়াইয়ের পর করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। বুদ্ধদেব গুহ একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি মূলত বন, অরণ্য এবং প্রকৃতি বিষয়ক লেখার জন্য পরিচিত। তার স্ত্রী প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত গায়িকা ঋতু গুহ। বহু বিচিত্রতায় ভরপুর এবং অভিজ্ঞতাময় তার জীবন। ইংল্যান্ড, ইউরোপের প্রায় সব দেশ, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, থাইল্যান্ড ও পূর্বআফ্রিকায় তার ভ্রমণ। পূর্বভারতের বন-জঙ্গল, পশুপাখি ও বনের মানুষের সঙ্গেও তার সুদীর্ঘকালের নিবিড় ও অন্তরঙ্গ পরিচয়। সাহিত্য-রচনায় মস্তিষ্কের তুলনায় হৃদয়ের ভূমিকা বড়- এ মতে তিনি বিশ্বাসী। বুদ্ধদেব গুহর পেশাগত জীবন শুরু হয়েছিল চাটার্ড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। তিনি ছিলেন একজন নামী চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট। দিল্লির কেন্দ্রীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে পশ্চিমবঙ্গের আয়কর বিভাগের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য নিযুক্ত করেছিল। আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রের অডিশন বোর্ডের সদস্য হয়েছিলেন তিনি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সদস্য ছিলেন তিনি। এক সময় বামফ্রন্ট আমলে তাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বনবিভাগের বন্যপ্রাণী উপদেষ্টা বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিভাগের উপদেষ্টা বোর্ড এবং নন্দন উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য করা হয়েছিল। বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবনে পরিচালন সমিতির সদস্যও নিযুক্ত হয়েছিলেন। বুদ্ধদেব গুহ খুব সুন্দর ছবিও আঁকেন। নিজের লেখা একাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ তিনি নিজেই এঁকেছেন। গায়ক হিসেবেও তিনি বহুজনের প্রিয়। 'জঙ্গলমহল' তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। তারপর বহু উপন্যাস ও গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি লেখক হিসেবে খুবই অল্প সময়ে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। তার বিতর্কিত উপন্যাস 'মাধুকরী' দীর্ঘদিন ধরে বেস্টসেলার। ছোটদের জন্য তার প্রথম বই- 'ঋজুদার সঙ্গে জঙ্গলে'। ঋজুদা তার সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় অভিযাত্রিক গোয়েন্দা চরিত্র। আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন ১৯৭৭ সালে। প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ঋতু গুহ তার স্ত্রী। সুকণ্ঠ বুদ্ধদেব গুহ নিজেও একদা রবীন্দ্রসংগীত গাইতেন। পুরাতনী টপ্পা গানে তিনি অতি পারঙ্গম। টিভি এবং চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে তার একাধিক গল্প উপন্যাস।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply