sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বাস-ট্রেন-নৌযানের সব আসনেই বসবে যাত্রী




লকডাউন শিথিল হচ্ছে। তবে, গণপরিবহনে আগের মতো এক আসন ফাঁকা রেখে বসার বিধান থাকছে না। ট্রেন ও লঞ্চেও আসন সংখ্যার সমান সংখ্যক যাত্রী তোলা হবে। হেলপারের হাতে থাকবে না হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এদিকে, সড়কপথে চলাচলের মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চলাচলের কথা বলা হয়েছে। কঠোর লকডাউন শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী ১১ আগস্ট থেকে আসন সংখ্যার সমান সংখ্যক যাত্রী নিয়ে চলবে বাস, ট্রেন এবং লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন। রোববার (০৮ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসব শর্ত দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এদিকে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে সড়কপথে মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চলাচল করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সড়ক, রেল ও নৌপথে আসন সংখ্যার সমপরিমাণ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন/যানবাহন চলাচল করতে পারবে। সড়কপথে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর/সংস্থা, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদিন মোট পরিবহন সংখ্যার অর্ধেক চালু করতে পারবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ১ জুলাই থেকে বিধিনিষেধ শুরু হয়। পরে তা কয়েক দফায় বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। প্রথমে পহেলা জুলাই থেকে জারি করা বিধিনিষেধে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা ছাড়া সবকিছু বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আট দিনের জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। সেসময়ে সবকিছুই শর্তসাপেক্ষে খুলে দেওয়া হয়। ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আবারও বিধিনিষেধ জারি হয়। এ দফার বিধিনিষেধ চলাকালে পোশাক কারখানাসহ সব ধরনের শিল্পকারখানা ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। জরুরি সেবা, গণমাধ্যম ও খাদ্য উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট পরিবহন ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহনও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে তা আরেক দফা বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়। শিল্প মালিকদের দাবির মুখে পহেলা আগস্ট থেকে খুলে দেয়া হয় রপ্তানিমুখী কারখানাগুলো। এরপর ৬ আগস্ট থেকে ফ্লাইট চালু করা হয় অভ্যন্তরীণ রুটে। এবার বিধিনিষেধ প্রায় পুরোটাই তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত এসেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply