sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ইসরায়েলি জাহাজে হামলার দায় অস্বীকার ইরানের




ইসরায়েলি মালিকানাধীন জোডিয়াক মেরিটাইম কোম্পানির পরিচালিত পেট্রোলিয়াম পণ্যের ট্যাংকারে হামলায় অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান।

রোববার (০১ আগস্ট) ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদেহ বলেন, ইহুদিবাদী দেশটি এই অনিরাপত্তা, ত্রাশ ও সহিংসতার পরিবেশ তৈরি করেছে। তেহরানকে দায়ী করার নিন্দা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ঘটনার নজর অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে ইরানকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। তাদের বক্তব্য ভিত্তিহীন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। এর আগে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেন, বৃহস্পতিবারের (২৯ জুলাই) হামলার দায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। এ অস্বীকারকে তিনি ‘কাপুরুষোচিত’ বলে মন্তব্য করেন। ইসরায়েলি মন্ত্রী জানান, আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, জাহাজে হামলার ঘটনায় দায়ীদের একটি ইরান। গোয়েন্দারাও এই দাবিকে সমর্থন করছেন। ওমান উপকূলে ট্যাংকারে হামলায় দুই ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। তারা ব্রিটিশ ও রোমানীয় নাগরিক। নিজেদের ওয়েবসাইটে লন্ডনভিত্তিক জোডিয়াক বলছে, মারসের স্ট্রিট নামের জাহাজটি আরব সাগরে হামলার শিকার হয়েছে। লাইবেরীয় পতাকাবাহী জাহাজটির মালিক জাপানি। প্রথমে এটিকে জলদস্যুদের হামলা বলে সন্দেহ করা হয়েছিল। কিন্তু পরে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, এটি দস্যুতা সংশ্লিষ্ট কোনো ঘটনা না। জোডিয়াক বলছে, এ ঘটনায় অনুসন্ধান চলছে। ইউকেএমটিওসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা নিবিড়ভাবে কাজ করছি। ইসরায়েলি ধনাঢ্য ওফার পরিবারের কোম্পানি জোডিয়াক মেরিটাইম। তারা জানিয়েছে, ওই ব্রিটিশ ও রোমানীয় নাগরিক ছাড়া কেউ হতাহত হয়েছেন কিনা; তা নিয়ে আমরা অবগত না। ইউকেএমটিও বলছে, হামলার শিকার হওয়ার সময় জাহাজটি ওমানি বন্দর দুকাম থেকে ১৫২ নটিক্যাল মাইল উত্তরপূর্বে অবস্থান করছিল। জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী রেফিনিটিভ জানিয়েছে, মারসের স্ট্রিট একটি মাঝারি-আকারের ট্যাংকার। তানজানিয়ার দার এস সালাম থেকে এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, হামলায় কথিত আত্মঘাতী-ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। কোনো সরকার কিংবা মিলিশিয়া গোষ্ঠী এর নেপথ্যে রয়েছে। তখন কোনো ধরনের তথ্য-প্রমাণ না দিয়েই এক ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, জাহাজটিতে ইরানি ড্রোন হামলা হয়েছে। হামলার পর ঘটনাস্থলে মার্কিন নৌবাহিনী উপস্থিত হয়ে জাহাজটিকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে এসেছে। এই হামলাকে ২০১৯ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ নৌ সহিংসতা বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংকটের মধ্যে বিভিন্ন হামলার জন্য সাধারণত ইরানকে দায়ী করা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহে নতুন কট্টরপন্থী প্রেসিডেন্টের শপথকে সামনে রেখে পশ্চিমাদের প্রতি কঠোর অবস্থান নিতে দেখা গেছে ইরানকে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানকে সবচেয়ে বড় হুমকি বলে বিবেচনা করে আসছে ইসরায়েল। ব্রিটিশ নৌনিরাপত্তা ফার্ম অ্যাম্ব্রে জানিয়েছে, হামলায় তাদের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহযোগিতা করতে তারা কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply