sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » আফগানিস্তানে যে ভূমিকা রাখতে পারে তুরস্ক




খুব দ্রুত বদলাচ্ছে আফগানিস্তান। তালেবানরা যে এত দ্রুত আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেবে তা কেউ ভাবতে পারেনি। কয়েকদিনের মধ্যে পুরো কাবুল শতভাগ তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এখন বহু মানুষ আফগানিস্তান ছাড়ার আশায় বিমানবন্দরে জড়ো হচ্ছে। আর লাখ লাশ আফগান দেশ ছাড়ার স্বপ্ন বুনছে। কেননা দেশে থাকলে হয় মরতে হবে বা তালেবানের কঠোর শাসনে থাকতে হবে। খবর ডেইলি সাবাহ’র। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে সব বিদেশি বাহিনীকে আফগানিস্তান ছাড়তে বলেছে তালেবান। তাই ডেডলাইন শেষ হয়ে গেলে, সোমবারের পর কি ঘটবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছে সবাই। সবাই চলে এলেও তুরস্ক থাকতে চেয়েছিল আফগানিস্তানে। কিন্তু তাদেরও আফগানিস্তান ছাড়তে বলা হয়েছে। এজন্য আফগানিস্তান ছাড়তে শুরু করে তুর্কি সেনারাও। তুরস্ক ভেবেছিল কাবুল হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ থাকবে তাদের হাতে। কিন্তু আশানুরূপ কিছু ঘটেনি। তুরস্কের অবশ্য এমনটা ভাবার যথেষ্ট কারণ আছে। তারা ধারণা করেছিল কিছু বিদেশি সেনা আফগানিস্তানে থেকে যাবে এবং তালেবানের নিয়ন্ত্রণ সীমিত হবে। যেহেতু সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করবে তালেবান, তাই কেবল একটি বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার কি মানে হতে পারে? এটাও এক ধরনের দখলদারিত্ব হবে এবং আঙ্কারার কখনই এ ধরনের এজেন্ডা ছিল না। এদিকে আফগান জনগণকে সাহায্য করতে আঙ্কারার সহায়তা চেয়েছে তালেবান। যদিও এটা একটা বিপজ্জনক এবং ঝুঁকিপূর্ণ পথ। আফগানিস্তান এবং আফগান জনগণের চোখে তুরস্কের একটি বিশেষ অবস্থান রয়েছে। এটা স্পষ্ট যে, সবাই তুরস্ককে ভালোবাসে এবং তাদের কখনও দখলদার বাহিনী হিসেবে দেখা হয়নি। আর এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা। আর এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে আফগানিস্তানের নতুন সরকারের, যেটা অবশ্যই তালেবান, সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে চায় আঙ্কারা। যেহেতু আমরা আফগানিস্তানে বাস্তবতা পরিবর্তন করতে পারছি না, তাই দায়িত্বশীল বিশ্ব নাগরিক হিসেবে আমাদের লক্ষ্য থাকা উচিত আফগানিস্তানকে যতটা সম্ভব বিশ্বের কাছে উন্মুক্ত রাখা। আর এটা তখনই সম্ভব যখন তালেবানরা বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক থাকা তাদের সংযুক্ত রাখার এবং বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর একটি উপায় হতে পারে। কিন্তু তালেবান তো তালেবান। সেক্ষেত্রে আফগান নারীদের নিয়ে অস্বস্তি থেকেই যাচ্ছে। তবে এর মানে এই নয় যে তালেবানদের সঙ্গে তুরস্কের যোগাযোগ করা উচিত নয়। আফগানিস্তানকে বাকি বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত রাখার জন্য তুরস্ক এবং অন্যান্য সব দেশকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তুরস্ক সরকার সেটাই করছে। আঙ্কারা আফগানিস্তানে একটি বাস্তববাদী পন্থা গ্রহণ করছে এবং নতুন বাস্তবতা গ্রহণ করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসোগলু বলেছেন, তুরস্ক আফগানিস্তানে নতুন সরকারের স্বীকৃতির বিষয়ে তার অবস্থানের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। ইতিহাস একটি মোড় নিয়েছে এবং তালেবানরা তাদের কথা রাখবে কিনা বা আগে যেমন মানুষ হত্যা করতো সেটা আবারও শুরু করবে কিনা তা অনুমান করা কঠিন। আর এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তুরস্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ, গঠনমূলক এবং ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে এবং অবদানও রাখতে পারে আফগানিস্তান পুনর্গঠনের জন্য।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply