sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ৬৫ শতাংশ আফগান ভূখণ্ড তালেবানের নিয়ন্ত্রণে




আফগান ভূখণ্ডের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছে তালেবান। মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) স্থানীয় অধিবাসীদের তাদের বাড়িতে আত্মগোপনে থাকতে দেখা গেছে। ৬৫ শতাংশ আফগান ভূখণ্ড তালেবানের নিয়ন্ত্রণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা বলছেন, মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহারের ঘোষণা আসার পর থেকে আফগানিস্তানের ৬৫ শতাংশ ভূখণ্ড তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাগলান প্রদেশের রাজধানী পুল-ই-খুমরির পতন হয় তালেবানের হাতে। স্থানীয় অধিবাসীরা বলছেন, আফগান নিরাপত্তা বাহিনী খেলাগি মরুভূমির দিকে পিছু হটেছে। এই মরুভূমিতেই আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় ঘাঁটির অবস্থান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, এক সপ্তাহের মধ্যে সাতটি প্রাদেশিক রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। তাদের মধ্যে সপ্তমটি হলো পুল-ই-খুমরি। যদিও হোয়াইট হাউস বলছে, তালেবানের পুরো দেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া অপরিহার্য না। তালেবানকে পরাজিত করতে আঞ্চলিক যুদ্ধবাজ নেতাদের সমর্থন চেয়ে আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। জাতীয় রাজধানী কাবুলে প্রেসিডেন্টের সহযোগীরা বলেন, তালেবানকে হটাতে সরকার আঞ্চলিক মিলিশিয়াদের শরণাপন্ন হয়েছে। যদিও তাদের সঙ্গে আফগান সরকারের দ্বন্দ্ব রয়েছে। এছাড়া আফগানিস্তানের গণতন্ত্রকে রক্ষায় বেসামরিক নাগরিকদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন আশরাফ গনি। উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাজার-ই-শরিফ ও কাবুলের মধ্যবর্তী প্রধান সড়কে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পাকাপোক্ত করেছে তালেবান। তারা সরকারি ভবনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। আইবেকের বসবাসের অবস্থা নিয়ে জানতে চাইলে সেখানকার করকর্মকর্তা শের মোহাম্মদ আব্বাস বলেন, এখানে একমাত্র স্ব-আরোপিত গৃহবন্দি হয়ে থাকা যায়। বসবাসের জন্য এটিই নিরাপদ পদ্ধতি। অথবা কাবুলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হওয়াই ভালো। তিনি বলেন, কিন্তু কাবুলকেও কোনো নিরাপদ বিকল্প হিসেবে ভাবা যায় না। ৯ সদস্যের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস আব্বাস। তিনি বলেন, তালেবান তার অফিসে এসে কর্মীদের বাড়ি চলে যেতে বলেছে। তিনিসহ অন্যান্য বাসিন্দারা জানান, মঙ্গলবার তারা কোনো যুদ্ধের খবর শোনেননি কিংবা যুদ্ধ দেখেননি। গত কয়েক বছর ধরে উত্তরাঞ্চল ছিল দেশটির সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ অঞ্চল। সেখানে তালেবানের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। কিন্তু তালেবানের সামরিক কৌশল এখন উত্তরাঞ্চলের দিকে মোড় নিয়েছে। এছাড়া উত্তর, পশ্চিম, দক্ষিণের সীমান্ত ক্রোসিংগুলো দখলে নেওয়ার জন্য মরিয়া তারা। এরপর তারা কাবুলমুখী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন সমর্থিত আফগান সরকারের পতনের জন্য লড়াই করছে তালেবান। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, তালেবান বর্তমানে এগারোটি প্রাদেশিক রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে। উত্তরের জাতীয় বাহিনীর কাছ থেকে কাবুল যাতে ঐতিহ্যবাহী সমর্থন না পায়, সেই চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে। ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেন, বাইডেন প্রশাসন এখনো মনে করে যে আফগানিস্তানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আসতে পারে আলোচনা ও সংলাপ। শেষ পর্যন্ত আমরা মনে করি, তলেবানকে তাড়িয়ে দিতে আফগান জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সরঞ্জাম, সেনা সংখ্যা ও প্রশিক্ষণ রয়েছে। তালেবান কেবল আলোচনার টেবিলে নিজেদের অবস্থান জোরদার করছে






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply