sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ভবানীপুরে মমতার টিকে থাকার লড়াই?




সবশেষ বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর আবারও আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেবার শিকে ছেঁড়েনি নন্দীগ্রামে, এবার ভবানীপুরে তার নিজেকে রক্ষার লড়াই। শুক্রবার গনেশ চতুর্থীর দিনে উপনির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মমতা। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক’। কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল ভবানীপুর? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবশেষ বিধানসভা নির্বাচনে নিজের শক্ত ভূমি বা গড় হিসেবে পরিচিত ভবানীপুর কেন্দ্রের পরিবর্তে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই নির্বাচনে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেন। শুভেন্দু ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্বস্ত কর্মী ও নিজ হাতে গড়ে তোলা নেতা। রাজনৈতিক মনোমালিন্যের কারণে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। মূলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তির কারণেই গেল বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফের সরকার গঠন করে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু ‘বাংলা তার মেয়েকেই চায়’ এই স্লোগান তৃণমূলকে রক্ষা করলেও, রক্ষা করতে পারেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে; পরাজিত হন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে, যা পরবর্তীতে পরিণত হয় সম্মানের বিষয়ে। পরে নির্বাচন কমিশন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরের উপনির্বাচনসহ সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে। মমতা নন্দীগ্রাম থেকে লড়ার সিদ্ধান্ত নিলে ভবানীপুরে ভোট করে জিতে আসেন শোভনদেব চট্ট্যোপাধ্যায়। নির্বাচিত হওয়ার কিছুদিন পরেই শোভনদেব ভবানীপুরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলে আসনটি ফাঁকা হয়। ধারণা করা হয়, শোভনদেবের ইস্তফা দেয়ার মূল কারণ হচ্ছে, মমতাকে ভবানীপুর ফিরিয়ে দেওয়া। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর পদ ধরে রাখতে হলে মমতাকে ১৮০ দিনের মধ্যে রাজ্যের যেকোনো একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। ভারতীয় সংবিধানের ১৬৩ ও ১৬৪ ধারা অনুযায়ী, কাউকে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হতে হলে বিধানসভার সদস্য হতে হবে। রাজ্যের বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতারাই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করবেন। আরও বলা হয়েছে, বিধানসভার নির্বাচিত সদস্য না হয়েও ছয় মাস মন্ত্রী কিংবা মুখ্যমন্ত্রী থাকা যাবে। তবে পরের ছয় মাসের মধ্যে রাজ্যের যেকোনো একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। অন্যথায় ১৮০ দিন পর তার পদ বাতিল হয়ে যাবে। সেজন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরের উপনির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে। অপরদিকে বিজেপির কাছে এই নির্বাচন ‘ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির লড়াই’ নয়, বরং এটি দু’টি রাজনৈতিক সংগঠনের লড়াই। গত বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর থেকে তৃণমূলের শোভনদেব চট্ট্যোপাধ্যায় জিতেছিলেন ৭৩,৫০৫ ভোট পেয়ে। বিজেপির প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ পেয়েছিলেন ৪৪,৭৮৬ ভোট। উপনির্বাচনেও ভোটের সমীকরণে শক্ত অবস্থানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুর যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, তবে বিজেপিও ছাড়তে নারাজ। শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল নামের একজনের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে বিজেপি। আইনজীবী হিসেবে পরিচিত প্রিয়াঙ্কা গেল নির্বাচনের পর নির্যাতিত বিজেপিকর্মীদের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন। বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে চায় এই উপনির্বাচনে, এমনই মনোভাব দলের নেতাদের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুর উপনির্বাচনে অনেকটা এগিয়ে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নন্দীগ্রামে পরাজিত হওয়ার পর এই উপনির্বাচনকে গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এক কর্মীসভায় তিনি বলেছেন, কর্মীরা যেন এই উপনির্বাচনকে হালকাভাবে না নেয়। ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে যাওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি। সূত্র : আনন্দবাজার, জি-নিউজ, দ্য ওয়াল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply