sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » আফগানিস্তানে উচ্চশিক্ষা নেওয়া যাবে তবে পর্দা মেনে




এখন থেকে আফগানিস্তানের নারীরা উচ্চশিক্ষা নিতে পারবেন, যেতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয়ে তবে নারী-পুরুষ আলাদা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এবং পর্দার নিয়মকানুন মেনে। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তালেবানের নতুন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকি হাক্কানি নারী শিক্ষাব্যবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। উচ্চশিক্ষা নেওয়া যাবে তবে পর্দা মেনে তালেবানের নতুন নেতৃত্বে নারীদের জায়গা না হলেও শঙ্কা কেটেছে আফগান নারীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণ নিয়ে। এখন থেকে আফগানিস্তানের নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে বাধা নেই, এমনকি স্নাতকোত্তর পর্যন্ত পড়তে পারবেন তারা। শর্ত একটাই, পর্দা রক্ষায় ছেলেমেয়ে একসঙ্গে নয়, বসতে হবে আলাদা ক্লাসরুমে এবং অবশ্যই হিজাব পরতে হবে। রোববার তালেবানের নতুন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকি হাক্কানি শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। নতুন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকি হাক্কানি বলেন, আফগানিস্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের দায়িত্ব এখন আমাদের। নারী-পুরুষ সবার জন্য শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করে নতুন জাতি গঠনে আমরা কাজ করব। বর্তমানে আফগানিস্তনে অনেক সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে এখন থেকে নারী-পুরুষ আলাদা হয়ে পর্দার মধ্যে থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। এ ছাড়া এর আগে তালেবানের বিগত শাসনামলে আফগানিস্তানের শিক্ষা ও সামাজিক ব্যবস্থায় নারীদের যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে তালেবান। আব্দুল বাকি হাক্কানি আরও বলেন, তালেবানের অবস্থান বজায় রেখে বর্তমানে আফগানিস্তানের আজ যা আছে তার ওপরই আমরা নির্মাণ শুরু করব। গত ২০ বছরে যতটা পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে নারীদের ব্যাপারে, সে বিষয়ে আমরা অবগত। এদিকে, আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের পর বারবার যেই কথা সামনে আসছে তা হলো নারী অধিকার। ১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর তালেবানের বিরুদ্ধে প্রথম রাজপথে নামেন দেশটির নারীরাই। নিজেদের অধিকার আদায়ে এখনো তালেবানের বিরুদ্ধে সোচ্চার তারা। তালেবানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) কাবুলের রাস্তায় নামেন শত শত নারী। হাতে ছিল ব্যানার, ফেস্টুন আর প্ল্যাকার্ড। নিজেদের অধিকার রক্ষার দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন তারা। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চালায় তালেবান সদস্যরা আরও পড়ুন: ইতালি-প্রবাসীদের-জন্য-খুশির-খবর বিক্ষোভকারীরা বলছেন, ধর্মের অজুহাতে নারীদের ঘরে রাখা যাবে না। তালেবান ক্ষমতায় এলেও সমান সুযোগ আর কর্মক্ষেত্রে নিরাপদে কাজ করতে যান তারা। ১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সবার আগে তালেবানের বিরুদ্ধে রাজপথে নামের দেশটির নারীরা। কট্টর রক্ষণশীল এ গোষ্ঠী আফগানিস্তানের ক্ষমতা নেওয়ার পর বারবার নারী অধিকারের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। জাতিসংঘ থেকে শুরু করে পশ্চিমা দেশগুলোও এ বিষয়ে সোচ্চার। বিক্ষোভকারীরা বলেন, আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমেছি। আমাদের কোনোভাবেই দমিয়ে রাখা যাবে না। আমরা এই অবস্থায় চলতে পারি না। পাকিস্তান কিংবা অন্য যে কোনো দেশে নারীদের এভাবে দেখা হয় না। কোনো সভ্য সমাজ নারীদের ছাড়া চলতে পারে না। অথচ তালেবান একটা সরকার গঠন করল যেখানে কোনো নারী প্রতিনিধিত্ব নেই। আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের সঙ্গে ফ্লাইট চালুর ঘোষণা অস্বীকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আফগান নারীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের নোবেল বিজয়ী নারী অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া ভাষণে তিনি মালালা বলেন, আফগান মেয়েদের স্কুলে যাওয়া এবং তাদের শিক্ষকদের কাজে ফেরার যেন অনুমতি দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়টির দিকে নজর রাখতে হবে। তারা যেন এ ইস্যুতে এক সুরে কথা বলে। এদিকে আফগানিস্তানে এখন নারীদের বোরকার পাশাপাশি পুরুষদের ইসলামিক পোশাক বানানোর ধুম পড়েছে। টেইলারের দোকানে কুর্তা, পায়জামা বানাচ্ছেন পুরুষরা। যেসব ব্যবসায়ী বছরের পর বছর পশ্চিমা পোশাক জিন্স-স্যুট বিক্রি করে আসছেন তাদের মাথায় হাত। অচল হয়ে পড়ছে তাদের আয়ের চাকা। আফগানিস্তানে তালেবান দায়িত্ব নেওয়ার পর, নারীদের বোরকা কেনার হিড়িক পড়ে যায়। এই সুযোগে বোরকার দামও বেড়ে যায় বহুগুণ। এবার পুরুষরা দলে দলে বানাচ্ছেন আফগান কুর্তা, পায়জামা আর কোটি। আগের চেয়ে তাই ব্যবসা ভালো টেইলারিংয়ে। টেইলারিং মাস্টারদের বর্তমানে দম ফেলার ফুরসত নেই। সেলাই মেশিনের আওয়াজ মধ্যরাত পর্যন্ত শোনা যাচ্ছে। তারা বলেন, আমাদের ব্যবসা এখন চাঙা। মানুষজন আর জিন্স, টি-শার্ট কিনছেন না। তারা ঐতিহ্যবাহী আফগান পোশাক বানাচ্ছেন। যদিও মানুষের হাতে অর্থ খুব একটা নেই। তবুও পরিস্থিতির শিকার হয়ে তারা এটি করছেন। মূলত তালেবান ধারার সঙ্গে সমন্বয় করে ইসলামিক পোশাকের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে আফগানরা। তাই পশ্চিমা পোশাক ছেড়ে দিয়েছেন অনেকে। এ অবস্থায় ব্যবসায় মন্দদশা শপিংমলগুলোতে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply