sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » প্রধান শিক্ষক হত্যা: ৪ জনের ফাঁসি, ৯ জনের যাবজ্জীবন




শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত (ফাইল ছবি) শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি সরফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ আজাদ হত্যা মামলায় চার আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। মামলার অপর ৯ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। ১১ বছর আগের ঘটনায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মো. মনির কামাল বুধবার এ দণ্ডাদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- নুরুজ্জামান খান, জাহাঙ্গীর মাতবর, জুলহাস মাতবর ও চান মিয়া। তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করেছেন বিচারক। অপরদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আব্দুল হালিম মোল্লা, আজিজুল মাতবর, ফারুক খান, আজাহার মাতবর, মীজান মীর, আকতার গাজী, জলিল মাতবর, এমদাদ মাতবর ও লাল মিয়া। তাদের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ টাকা অনাদায়ে তাদের আরও ৬ মাস কারাভোগ করতে হবে। আজিবর বালী, আব্দুল খন্দকার, খোকন বেপারী, আজাহার মোল্লা ও সোহরাব মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মাহবুবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, শরীয়তপুর সদরের চিকন্দি সরফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন আব্দুস সামাদ আজাদ। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তৎকালীন চেয়ারম্যান হালিম মোল্লার কাছে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য তিনি এলাকায় পোস্টারিং করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হালিম মোল্লা হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ২০১০ সালের ১৫ জানুয়ারি শিক্ষক সামাদ আজাদ সন্ধ্যায় শরীয়তপুরের পালং থানার সন্তোষপুর বাসস্ট্যান্ডে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এসে রহিম পেদা, ওয়াজেদ শীল, সেলিম ফকির, ইসহাক মুন্সী ও বিশ্বজিৎ শীল গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় তৎকালীন চেয়ারম্যান হালিম মোল্লা ও সাবেক চেয়ারম্যান আজিবর বালীসহ ৩০ জন এবং অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনের নামে পালং থানায় একটি মামলা করেন নিহত সামাদ মাস্টারের স্ত্রী। মামলাটি অধিকতর তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১১ মে একই থানার এসআই সুলতান মাহমুদ ১৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply