sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে যেসব বিষয়ে পরামর্শ দিলো জাতীয় পরামর্শক কমিটি




শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে করনীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে কমিটির এক সভায় এসব পরামর্শ দেওয়া হয়। কমিটির সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সভায় বলা হয়, সকল শিক্ষার্থীর শিক্ষা এবং শিক্ষক, কর্মচারী ও সমাজের ভালো এবং স্বাস্থ্য খাত নিশ্চিত করতে হবে। সকল ধরনের ঝুঁকি কমানোর জন্য যথাযথ ব্যবস্থা প্রয়োজন। স্কুল বন্ধ থাকার জন্য শিক্ষার্থীরা যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এবং তাদের যে মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে তা কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এলাকায় করোনা পরবর্তী সংক্রমণ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। পরামর্শে বলা হয়েছে, সকল স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবার মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে যদি কোনো ব্যত্যয় হয় তাহলে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে এটি অবশ্যই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু ব্যতীত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী করতে হবে। পরামর্শে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ শিক্ষক-কর্মচারীর করোনার টিকা নেওয়া থাকতে হবে। দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১৪ দিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে পারবেন। বিশেষ ক্ষেত্রে প্রথম ডোজের ১৪ দিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদানের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের যত দ্রুত সম্ভব করোনার টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কমিটি আরও বলেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাগম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কোন ক্লাস সপ্তাহের কোন দিন হবে তা বিভক্ত করে দেওয়া যেতে পারে। যেমন, শুরুর দিকে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস প্রতিদিন খোলা রাখা ছাড়া অন্য সব ক্লাস সপ্তাহের এক বা দুদিন খোলা রাখা যেতে পারে। এতে নির্দিষ্ট দিনে যে ক্লাসটি হবে সেই ক্লাসের শিক্ষার্থীরা খালি শ্রেণিকক্ষগুলো ব্যবহার করে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে বসতে পারবে। এছাড়া দূরত্ব বজায় রাখতে প্রাতঃসমাবেশ (অ্যাসেম্বলি) বন্ধ রাখতে হবে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রস্তুত করা প্রয়োজন। কমিটির পরামর্শে আরও বলা হয়েছে, আবাসিক সুবিধাসংবলিত স্কুল, মাদরাসাসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাবেশ-স্থানগুলো (ক্যাফেটেরিয়া, ডাইনিং, টিভি/স্পোর্টস রুম, ইত্যাদি) বন্ধ রাখা, রান্নাঘর থেকে সরাসরি খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা ও একাধিক শিক্ষার্থী যেন একই বিছানা ব্যবহার না করে। এছাড়া মাদরাসায় একসঙ্গে নামাজ ও সমাবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply