Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ধর্ষণে জড়িত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীরা




কঙ্গোতে ইবোলা সংকটের সময় যৌন নিপীড়নে জড়িত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) কর্মকর্তাসহ ৮০ জনেরও বেশি দাতব্যকর্মী। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন এমন দাবি করেছে। থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন ও দ্য নিউ হিউম্যানিটারিয়ানের গত বছরের এক তদন্তে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এতে অর্ধশতাধিক নারীর অভিযোগ, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে চাকরির বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক গড়তে চেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ অন্যান্য দাতব্য সংস্থার কর্মীরা।-খবর রয়টার্স দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিবেদন প্রকাশের অপেক্ষায় ছিল। তদন্ত কমিশন বলছে, ৮৩ যৌন অপরাধীর মধ্যে অন্তত ২১ জন ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মী। যৌন নিপীড়নের মধ্যে রয়েছে ৯টি ধর্ষণের ঘটনা। দেশি ও আন্তর্জাতিক কর্মীরা এসব অপরাধ করেছে। এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশন সদস্য ম্যালিক কৌলিবালি বলেন, চাকরি দেওয়ার অঙ্গীকারের বিনিময়ে কিংবা চাকরি টিকিয়ে রাখতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে বাধ্য করা হয়েছে। পুরুষ অপরাধীদের অনেকে কনডম ব্যবহারে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এতে অন্তত ২৯ নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। পরবর্তীতে নিপীড়নকারীরা তাদের অনেককে গর্ভপাতে বাধ্য করেছে। যৌন অপরাধের ক্ষেত্রে ‘শূন্য সহনীয়তার’ অঙ্গীকার করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাসচিব টেড্রোস আধানম গেবরিয়াসুস। এসব ঘটনাকে মর্মান্তিক উল্লেখ করে সহিংসতার শিকার হওয়াদের কাছে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেন, আপনাদের সঙ্গে যা করা হয়েছে, তা আর কারো সঙ্গে করতে সুযোগ দেওয়া হবে না। এটি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। অপরাধীরা যাতে রেহাই না পায়, তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব। তাদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের কাঠামো ও সংস্কৃতিতে ব্যাপক সংস্কারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সংস্থাটির আঞ্চলিক পরিচালক মাটশিডিসো মোইটি বলেন, এ ঘটনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হতবাক, সন্ত্রস্ত ও আতঙ্কিত। আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গেবরিয়াসুসের মুখপাত্র ক্ষমা চেয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার সাহসের জন্য আক্রান্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কর্মকর্তারা বলেন, এখন পর্যন্ত যেসব অপরাধীর পরিচয় পাওয়া গেছে, তাদের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু সংস্থার সঙ্গে চার বছরের চুক্তি হওয়া চার কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে অপরাধীদের শাস্তির মুখোমুখি হবে কিনা; তা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাদের অনেককে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ধর্ষণের অভিযোগের ক্ষেত্রে বিচারের জন্য কঙ্গো ও অপরাধীরা যেসব দেশ থেকে এসেছে, সেসব দেশকে বলা হবে। জোলিয়ানি নামের ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী জানায়, ম্যানগিনার রাস্তার পাশে ফোন রিচার্জ কার্ড বিক্রি করত সে। ২০১৯ সালের এপ্রিলের ঘটনা এটি। তখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক গাড়ি চালক তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে গাড়িতে ওঠায়। কিন্তু ওই চালক তাকে হোটেলি নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ওই নারী একটি সন্তান প্রসব করেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply