Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » মহাকাশে গেল নাসার সবচেয়ে শক্তিশালী স্যাটেলাইট




পৃথিবীকে প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করছে নাসার সব স্যাটেলাইটসহ আন্তর্জাতিক সব স্পেস স্টেশন। সে সঙ্গে চলছে মহাকাশ আর আকাশগঙ্গা ছায়াপথ নিয়ে গবেষণা। এবার শুধু পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন তদারকির জন্য আলাদা এবং সবচেয়ে শক্তিশালী মহাকাশযান পাঠিয়েছে নাসা। ‘ল্যান্ডসেট নাইন’ নামের এ মহাকাশযান পর্যবেক্ষণ করবে পৃথিবীর অবশিষ্ট বনাঞ্চল, জলবায়ু পরিবর্তন আর পরিবেশদূষণ। আরও পড়ুন: পৃথিবীর চারপাশে স্যাটেলাইটের সংখ্যা কত? এর মধ্য দিয়ে টিকে থাকবে ল্যান্ডসেট প্রকল্পের আওতায় নাসার ৫০ বছরের পৃথিবী পর্যবেক্ষণের কার্যক্রম। নাসার ল্যান্ডসেট পরিবারের স্যাটেলাইটগুলো ১৯৭২ সাল থেকে পৃথিবীকে চোখে চোখে রাখছে। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আটলাস ভি রকেটে করে স্পেসক্রাফট ‘ল্যান্ডসেট নাইন’ গেছে মহাকাশে। ৮০ মিনিট পর রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় মহাকাশযানটি। ‘আটলাস ভি’ খুব জলদিই অদৃশ্য হয়ে যায়। মার্কিন সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে এ স্যাটেলাইট পরিচালনা করবে আর তথ্য আদান-প্রদান করবে। এই মিশনে খরচ পড়েছে ৭৫ কোটি ডলার। ‘ল্যান্ডস্যাট ৭’ এর স্থানে বসবে অত্যাধুনিক ‘ল্যান্ডসেট ৯’ স্যাটেলাইট। ‘ল্যান্ডসেট ৭’ ১৯৯৯ সাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ‘ল্যান্ডসেট ৮’ পাঠানো হয়েছিল ২০১৩ সালে। এই ল্যান্ডসেট ৮ আর ল্যান্ডসেট ৯ প্রতি ৮ দিন পর পর একসঙ্গে পৃথিবীর ছবি পাঠাবে। ল্যান্ডসেট ৯ পৃথিবীর কক্ষপথের এমন স্থানে থাকবে যেন উত্তর মেরু আর দক্ষিণ মেরু নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে ৭০৫ কিলোমিটার ওপরে থাকবে। এ স্যাটেলাইট দুটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্রবহন করবে। একটি ‘অপারেশনাল ল্যান্ড ইমেজার ২’ আরেকটি ‘থার্মাল ইনফারেড সেন্সর ২’। পৃথিবীর কোনো জলাধার কিংবা বনে যদি মিনিটের মধ্যেও কোন পরিবর্তন হয়, এ যন্ত্রগুলোতে সেই পরিবর্তন ধরা পড়বে। এই মিশনের বিজ্ঞানীরা জানান, পৃথিবীর সায়েন্স প্রোগ্রামের জন্য পরিচালিত হবে ল্যান্ডসেট ৮ আর ৯। এই স্যাটেলাইটগুলো পৃথিবীর গ্লেসিয়ারগুলোকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখবে। বিজ্ঞানীরা জানান, এই স্যাটেলাইট দুটি পৃথিবীর কৃষিকাজ, ভূমি ব্যবহার, ভূপৃষ্ঠের পানি, উপকূলসহ জলবায়ু পরিবর্তন আর পরিবেশ দূষণের যত ক্ষেত্র আছে, সব পর্যবেক্ষণে রাখবে। স্যাটেলাইটগুলোই তখন মানুষের চেয়ে বেশি বিস্তারিত তথ্য দেবে, পৃথিবীতে কি হচ্ছে কেন হচ্ছে। গত ৫০ বছরে পৃথিবীর পরিবর্তন সত্যি চোখে পড়ার মতো। নাসার ল্যান্ডসেট ৯ মিশনের বিজ্ঞানী জেফ মাসেক বলেন, গত অর্ধশতকে অনেক বেশি দাবানল, হারিকেন, পঙ্গপালের আক্রমণমসহ প্রাকৃতিক অনেক দুর্যোগ দেখেছে মানুষ। দশকের পর দশক ধরে একটু একটু করে ধ্বংস হচ্ছে পৃথিবীর বাস্তুসংস্থান। ল্যান্ডসেট স্যাটেলাইট পরিবার ১৯৭২ সাল থেকে পৃথিবী পর্যবেক্ষণ করলেও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তাদের তথ্য প্রকাশ করা হয় ২০০৮ সালে। পরিবেশ দূষণ আর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফলগুলো পর্যালোচনা করবে ল্যান্ডসেট ৮ ও ৯ স্যাটেলাইট






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply