Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » পাকিস্তানকে সাজা দিতে মার্কিন সিনেটে আইন




আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের পতনের আগে-পরে ও পনশির উপত্যকায় তালেবানের হামলায় পাকিস্তানের ভূমিকা মূল্যায়ন করতে সিনেটে একটি বিল উপস্থাপন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে ২২ সিনেটর। এতে পাকিস্তানসহ বিভিন্ন পক্ষের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথাও বলা হয়েছে।-খবর ডনের সোমবার (২৭ সেপ্টম্বর) সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্কীয় বিষয়ক কমিটির সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সদস্য রিসকসহ অন্যান্য রিপাবলিকান সদস্যরা আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াই, পর্যালোচনা ও জবাবদিহিতা আইন তুলে ধরেন। এতে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাপ্রত্যাহারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের তাড়াহুড়ো ও বিপর্যয় সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। আইনে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে পানশির উপত্যকা ও আফগান প্রতিরোধ বাহিনীর বিরুদ্ধে তালেবানের অভিযানে পাকিস্তান সরকারের মতো রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয়ভাবে ভূমিকা পালনকারীদের সহায়তার একটি মূল্যায়নও চাওয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে ওই সিনেটর বলেন, আফগানিস্তানে বাইডেন প্রশাসনের ঝুঁকিপূর্ণ সেনাপ্রত্যাহারে গুরুতর পরিণতি দেখতে পাচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফের সন্ত্রাসবাদের হুমকি আসছে। আফগান নারীদের অধিকার হরণের পরেও ভুলভাবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি দাবি করেছে তালেবান। আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রকে তালেবানের হুঁশিয়ারি সিনেটর রিসক আরও জানান, আমেরিকার বিশ্বাসযোগ্যতা পুনর্প্রতিষ্ঠায় আইনটি উপস্থাপন করতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি। আশা করছি, পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কিত কমিটি বিষয়টি ভালোভাবেই ধরতে পারবে, যাতে আফগানিস্তানে ফেলে আসাদের আমরা দ্রুত সহায়তা করতে পারি এবং অনেক বিলম্ব হয়ে যাওয়ার আগে আমেরিকার নিরাপত্তা স্বার্থ সুরক্ষা দিতে পারি। বিদেশি সরকারসহ যারা তালেবানকে সমর্থন দিয়েছে, মানবাধিকার হরণ করেছে, মাদকপাচার ও সন্ত্রাসবাদে জড়িতসহ তালেবানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে বিলটিতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কোনো তালেবান সদস্যকে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত হবে না। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে মানবিক কারণ ছাড়া যে কোনো বিদেশি সহায়তার ওপর বিধিনিষেধও আরোপ করতে বলা হয়েছে। তালেবানকে সহায়তা করা বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সমন্বিত পর্যালোচনারও দাবি করা হয়েছে আইনে। জবাবে পাকিস্তানের মানবাধিকার বিষয়ক মন্ত্রী শিরিন মাজারি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের মিত্র হয়ে পাকিস্তানকে ফের ব্যাপক খেসারত দিতে হতে পারে। সামরিক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর দুই দশকের আফগান উপস্থিতিতেও কোনো স্থিতিশীল সরকার রেখে যেতে পারেনি। আর সেই ব্যর্থতার বলি হতে পারে পাকিস্তান। তিনি বলেন, এটি কখনোয়ই আমাদের যুদ্ধ ছিল না। আমাদের ৮০ হাজার প্রাণহানি ঘটেছে, অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। আমাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র সাড়ে ৪০০ ড্রোন হামলা চালিয়েছে। আমাদের উপজাতীয় এলাকা ও লোকজনের ওপর ওই হামলার বিরূপ ফলও বহন করতে হচ্ছে পাকিস্তানকে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply