Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » আইনজীবীর পাশে দাঁড়িয়ে যা বললেন রাকিব




বিমানবালা তামিমা সুলতানা তাম্মী এখনও ব্যবসায়ী রাকিব হাসানের স্ত্রী। সে হিসেবে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী পরিচয় দেয়া তামিমা যে বিয়ে করেছেন সেটি অবৈধ। এমনটাই প্রমাণ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তে ক্রিকেটার নাসির হোসেন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের বিমানবালা তামিমা সুলতানা তাম্মী এবং তামিমার মা সুমি আক্তারকে দোষী উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন জানিয়েছেন মামলার বাদী রাকিব হাসান। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে তিনি এ আবেদন করেন। রাকিবের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, 'তামিমা যদিও দাবি করেন যে রাকিবকে ডিভোর্স দিয়েছেন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি কোনো ডিভোর্সের কাগজ সঠিক আইনি প্রক্রিয়া মেনে রাকিবকে দিতে পারেননি। তিনি এখনও রাকিব হাসানের বিবাহিতা স্ত্রী। এ বিষয়টি নিয়ে কোর্টে মামলা করার পর কোর্ট বিষয়টি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন। পিবিআই ডিভোর্সের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে। ২০১৬ সাল থেকে আজকের দিন পর্যন্ত তদন্তে নিয়ে আসে পিবিআই। সেই সময় থেকে তারা (তামিমা ও রাকিব) স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে কোন হোটেলে ছিলেন, কোথায় কোথায় গেছেন সেই সকল বিষয় তদন্তে উঠে আসে। সেই সাথে পিবিআই প্রতিটি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে অসংখ্য তথ্য প্রমাণ আজ কোর্টে দাখিল করেছেন। ওনি যে রাকিবের স্ত্রী তাই নন, নাসিরের সাথে তামিমার বিয়েটা সম্পূর্ন অবৈধ।' তিনি আরও জানান, 'তারা যে কাগজ দেখিয়েছেন এবং ডাক বিভাগের যে স্মারক দেখিয়েছেন সেগুলো জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে করেছেন। এ বিষয়টি পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে এবং ডাক বিভাগও জানিয়েছে এই স্মারক নাম্বারে কোন ধরনের লেটার সঠিক আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাকিব হাসানকে প্রদান করা হয়নি। পিবিআই তিনজনকে আসামি করে রিপোর্ট দাখিল করেছেন। মামলায় জাল জালিয়াতি, ব্যাভিচার ও রাকিবকে মানহানির অভিযোগে এক নাম্বার আসামি করা হয়েছে তামিমা সুলতানাকে।অন্যের স্ত্রীকে যেনেশুনে বিয়ে করার অভিযোগে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে নাসির হোসেনকে। আর জাল জালিয়াতির প্রক্রিয়ায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ নাম্বার আসামি করা হয়েছে তামিমা সুলতানার মা সুমি আক্তারকে। তাদের বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতিসহ সমস্ত অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ওয়ারেন্ট ইস্যুর আবেদন করা হয়েছে আদালতে।' আইনজীবী যখন সাংবাদিকদের সামনে কথা বলছিলেন তখন পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রাকিব। তিনি বলেন, 'যে অভিযোগটি আমি নিয়ে এসেছিলাম সেটি আবারও সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো। পিবিআই এই সত্যটাকে সামনে নিয়ে এসেছে। এজন্য আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।' তামিমা যদি আপনার কাছে ফিরে আসতে চায়? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাকিব জানান, 'আইনগতভাবে এখনো তামিমা আমার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আমাদের দুজনের। আমার একার ডিসিশনে তো হবে না, তারও (তামিমা) ডিসিশন আছে। দুজনের মতামত নিয়েই সংসার হয়। সে যদি আমার সাথে থাকতে চায়, আমি থাকবো। সে যদি আসতে চায় আমার পক্ষ থেকে না নাই। আমি তার সঙ্গে সংসার করতে রাজি আছি।' এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ডিভোর্স পেপার ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মীর বিরুদ্ধে করা মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীমের আদালতে তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। তিনি সৌদি এয়ারলাইন্সে কর্মরত রয়েছেন। চাকরির সুবাদে তিনি ২০২০ সালের ১০ মার্চ সৌদিতে গিয়েছিলেন। মহামারির কারণে জরুরি অবস্থা সৃষ্টি হইলে সেখানেই অবস্থান করেন। এ সময় ফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রাকিবের সঙ্গে তার যোগাযোগ হতো। মামলার অভিযোগে বলা হয়, চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার সঙ্গে ২ নং আসামির (ক্রিকেটার নাসির) কথিত বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা বাদীর নজরে আসে। বাদী এই ধরনের ছবি দেখে হতবাক হয়ে যান। পরবর্তীতে পত্রিকায় এই বিষয়ে সংবাদ দেখে তিনি ঘটনার বিষয় নিশ্চিত হন। এ ছাড়া তাদের গায়ে হলুদ ও বিয়ে পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান যথাক্রমে ১৭ ও ২০ ফেব্রুয়ারি সম্পন্ন হয়। যা ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংবাদে প্রকাশিত হয়েছে। মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, তামিমা বাদীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক চলমান থাকাবস্থায় নাসিরের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। নাসির বাদীকে ফোন করে জানান যে সম্পূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত এবং তার নিকট তামিমা আছেন। বাদীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক চলমান থাকাবস্থায় তামিমার নাসিরকে বিয়ে করা যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইনে সম্পূর্ণ অবৈধ। আসামির সঙ্গে তিনি অবৈধ বিয়ের সম্পর্ক দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন, যা নিকৃষ্ট ব্যভিচার। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আসামিদের এরূপ অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে বাদী ও তার শিশু কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এহেন কার্যকলাপে বাদীর চরমভাবে মানহানি হয়েছে যা বাদীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply