sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » মেহেরপুর বহু স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ




প্রায় দেড় বছর পর মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমায় আজ রবিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় সারা দেশের মতো মেহেরপুর জিনিয়াস ল্যাবরেটরি

ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। রবিবার ১০ টার দিকে সকলে মেহেরপুর জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজে দেখা যায়, উৎসব মুখর পরিবেশে প্রথম ব্যাচে এসএসসি শিক্ষার্থীরা তাদের শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে। কলেজের অধ্যক্ষ রিতা পারভীনের নেতৃত্বে কলেজের শিক্ষকরা এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় তাদেরকে শিক্ষকরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। তার আগে স্কুল ও কলেজের প্রবেশ পথ গেইটে শিক্ষার্থীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুখে মাস্ক পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসেছে তারা। তাদের পরনে সেই চিরচেনা স্কুল ড্রেস, কাঁধে বইয়ের ব্যাগ। তবে সহপাঠীদের সঙ্গে নেই আগের মতো হইহুল্লোড়। শিক্ষকদের নির্দেশনা অনুযায়ী ছাত্র ছাত্রীরা দূরত্ব বজায় রেখে তারা ক্লাশে প্রবেশ করছে। করোনা মহামারীর কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রবিবার সারা দেশের ন্যায় মেহেরপুর জেলাতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে। দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার লক্ষ্যে মেহেরপুর জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানোর জন্য ব্যানার ফেস্টুন তৈরি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রধান ফটকে টাঙিয়ে রেখেছে। মেহেরপুর জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ মাদ্রাসার সহ সাড়ে ৪ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় আবারো মুখরিত হবে মেহেরপুরের শিক্ষাঙ্গন। খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে মেহেরপুর জেলায় ৩০৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১২১ কি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৪ টি মাদ্রাসা এবং ১২টি কলেজ রয়েছে । এ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা গুলোতে ঝড়ঝাপটা সহ বিদ্যালয়ের ভিতরেও নোংরা পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর পরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা সহ পাঠদানের পরিবেশ গড়ে তোলে। এখন কেবল অপেক্ষার পালা শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply