sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাকের ন্যায্যমূল্য চায় বিজিএমইএ




বাংলাদেশের পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাকের ন্যায্যমূল্য চেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে দেশটির তৈরি পোশাক ক্রেতাদের সঙ্গে এক গোলটেবিল আলোচনায় এ দাবি জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। বাংলাদেশের পোশাকের শুল্ক কমানোর বিষয়টিও বিবেচনা করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। গত শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ‘রানা প্লাজার সাত বছর পর: কে কী করেছে’ শীর্ষক আলোচনায় ফারুক হাসান এ দাবি জানিয়েছেন। গতকাল রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) বিজিএমইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আলোচনায় বিজিএমইএ সভাপতি একটি নিরাপদ বৈশ্বিক বাজার (যেখানে কর্মক্ষেত্র ও চাকরি নিরাপদ ও টেকসই হবে) প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড ও রিটেইলারদের দামের ক্ষেত্রে আরও যুক্তিসংগত হওয়ার আহ্বান জানান। ফারুক হাসান বলেন, ‘আমাদের কারখানাগুলোর নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ক্রমবর্ধমান হারে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। গত পাঁচ বছরে উৎপাদন ব্যয় ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। কিন্তু আমাদের পোশাকের মূল্য প্রতিবছর কমছে। যদিও এটি সত্য যে, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে মূল্য নির্ধারণ করা যায় না, তারপরও সামাজিকভাবে নৈতিকতা মেনে পণ্য উৎপাদনের জন্য কেউ কম দামের যৌক্তিকতা দিতে পারেন না।’ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিনিধি ও ক্রেতাদের বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের পোশাকশিল্প মালিকরা ও সরকার নিজেদের পোশাক শিল্পকে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বিগত বছরগুলোতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিন পোশাক কারখানার আবাসস্থল এখন বাংলাদেশে। পাশাপাশি শ্রমিকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ এবং ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’ ফারুক হাসান যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারী ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রবাসীদের বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পে, বিশেষ করে নন-কটন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। একটি সমন্বিত আচরণবিধির প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘একাধিক নিরীক্ষা কেবল সময় ও অর্থেরই অপচয় করে না; প্রতিষ্ঠানের কমপ্লায়েন্সকেও জটিল করে তোলে।’ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দক্ষিণ এশিয়ার সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্রিস্টোফার উইলসনসহ ফেডারেল সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, টেক্সটাইলবিষয়ক সহকারি বাণিজ্য প্রতিনিধি উইলিয়াম জ্যাকসন, পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক পরিচালক জেনিফার লারসন, পররাষ্ট্র দপ্তরের ডেমোক্রেসি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লেবারের পরিচালক মরিন হ্যাগার্ড, বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিক ফারুক সোবহান, বিজিএমইএর সহসভাপতি মিরান আলী, ম্যাকলার্টি অ্যাসোসিয়েটসের প্রতিনিধি টেরেসিতা শ্যাফার, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধি, আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন, ওয়ালমার্ট এবং টার্গেটের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বাংলাদেশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্রিস্টোফার উইলসন বলেন, ‘আমদানি শুল্ক হ্রাস বা বৃদ্ধির ইস্যুটি মার্কিন কংগ্রেসের বিশেষ ক্ষমতা। শুল্ক হ্রাসের জন্য দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।’ যুক্তরাষ্ট্রে রাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত ও শ্রমিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপ ও উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের একক শীর্ষ বাজার। বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরের এই বাজারে ৫৯৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা। করোনার প্রথম ধাক্কায় বাজারটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ফলে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানি কমে ৫১৪ কোটি ডলার হয়েছিল। যদিও তার আগের বছর রপ্তানি ছিল ৬১৩ কোটি ডলারের পোশাক। তিন বছর ধরেই বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির ১৮-১৯ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যাচ্ছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply