Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সোশ্যাল মিডিয়া নাগরিক অধিকারের দরজা খুলে দেবে : আইজিপি




আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ আজ মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর-রামগতি সড়কের দুইপাশে বসবাসকারী নদীভাঙা ভূমিহীন প্রায় দুই হাজার মানুষের জন্য কবরস্থান ও মসজিদের ফলক উন্মোচন এবং মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া নাগরিক অধিকারের দরজা খুলে দেবে। সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভূমিহীনরা কবরস্থান ও মসজিদ পেয়েছে। এটিই সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি। করোনাকালে এর মাধ্যমে বহু মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি আমরা। ভালো কাজে সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি আমরা প্রশংসা করি। প্রত্যাশা করি, সোশ্যাল মিডিয়া বেশি বেশি করে সিটিজেন রিপোর্টিংয়ের দ্বার উন্মোচন করবে।’ আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর-রামগতি সড়কের দুইপাশে বসবাসকারী নদীভাঙা ভূমিহীন প্রায় দুই হাজার মানুষের জন্য কবরস্থান ও মসজিদের ফলক উন্মোচন এবং মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আইজিপি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মসজিদ ও কবরস্থানের জমির দলিল ভূমিহীনদের সংগঠক আবদুর রহমানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে আইজিপি কবরস্থান ও মসজিদ পরিদর্শন করেন। পুলিশ প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশে অবশ্য গুজব ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি রোধ করতে হবে। সিটিজেন রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের সমস্যাগুলো সামনে নিয়ে আসবে। এতে সরকার ও জনপ্রতিনিধিরা সেসব সমস্যা সমাধান করবেন।’ ড. বেনজীর আহমেদ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নত হচ্ছে। কিন্তু মানুষের মৃত্যুর পর দাফনের স্থান নেই এটি মেনে নেওয়া যায় না। মানুষের মৃত্যুর পর দাফন করা অবিচ্ছেদ্য মানবাধিকার। এটি তাঁর ধর্মীয় অধিকার। এটি পরিবারে বেঁচে থাকা মানুষগুলোর নৈতিক কর্তব্য। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ভূমিহীনদের জন্য কবরস্থান ও মসজিদ নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ড. এএইচএম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সভানেত্রী জীশান মির্জা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর আইজিপির উদ্যোগে সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের আবদুর কুদ্দুসের কাছ থেকে কবরস্থানের জমি কেনা হয়। গত বছরের ১ ডিসেম্বর ওই জমিটি রেজিস্ট্রি হয়। এরপর থেকে জমির চারপাশে সীমানা তুলে কবরস্থান ও মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে নলকূপ, মরদেহ গোসলের ঘর ও বাথরুম করা হয়েছে। প্রধান সড়ক থেকে কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা সংস্কার হয়েছে। সেখানে একসঙ্গে চার শতাধিক মানুষকে কবর দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। মানবিক কারণে আইজিপির উদ্যোগে জেলা পুলিশ কাজটি বাস্তবায়ন করেছে। স্থানীয়রা জানান, মেঘনা নদীর ভাঙনে গত ২০ বছরে কমলনগর ও রামগতি উপজেলার প্রায় অর্ধেক তলিয়ে গেছে। নদীতে ভিটে-মাটি হারানো অন্তত দুই হাজার পরিবারের ১০ হাজার মানুষ সড়কের পাশে আশ্রয় নিয়েছে। ভবানীগঞ্জ থেকে তোরাবগঞ্জ পর্যন্ত আট কিলোমিটার সড়কের দুপাশে কোনোমতে অস্থায়ী ঘর তুলে তারা বেঁচে থাকার স্বপ্ন বুনছেন। এসব পরিবারের কেউ মারা গেলে কবর দেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট স্থান ছিল না। বাধ্য হয়ে যেখানে-সেখানে লাশ দাফন করছেন। অনেক সময় মরদেহ নিয়ে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। এবার পুলিশের দেওয়া জমিতে তারা মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন করতে পারবেন






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply