Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » বিদেশি চ্যানেল বন্ধের উদ্যোগকে কিভাবে দেখছেন তারকারা




বিদেশি চ্যানেল বন্ধের উদ্যোগকে কিভাবে দেখছেন তারকারা ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে বিদেশি চ্যানেল বন্ধে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ বলছেন পক্ষে আবার কেউ বলছেন বিপক্ষে। এই পক্ষে বিপক্ষের জায়গা থেকে যখন যুক্তিতর্ক চলছে, তখন এ বিষয়ে আরটিভি নিউজের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষদের সঙ্গে। তাদের প্রশ্ন করা হয় বিদেশি চ্যানেল বন্ধের এই উদ্যোগকে কিভাবে দেখছেন? এর ধারাবাহিকতায় আজ দ্বিতীয় পর্বে রয়েছেন তিনজন গুনি শিল্পী। তারা হচ্ছেন, অভিনেত্রী ও লেখিকা জ্যোতিকা জ্যোতি, নিমার্তা ও লেখক মাসুদ সেজান এবং অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি।

জ্যোতিকা জ্যোতি: সরকার কোন বিদেশি চ্যানেল বন্ধের কথা বলেনি। ভুল প্রচারণা করা হচ্ছে।বরং বছরের পর বছর দেশের সম্প্রচার আইন ভঙ্গ করে যেভাবে কেবল অপারেটররা ডিশ ব্যবসা করে আসছে তাদের কে আইন মেনে বিদেশি চ্যানেল চালানোর কথা বলা হচ্ছে।এটা তো ভালো সিদ্ধান্ত, দেশ লাভবান হবে। আমি দেখলাম তথ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বলেছেন “বাংলাদেশের আকাশ উন্মুক্ত।যেকোনো চ্যানেল সম্প্রচার করা যাবে, কিন্তু সেটা দেশের আইন মেনে। আইনানুযায়ী বাংলাদেশে যেকোনো বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞাপন-মুক্তভাবে প্রচার করতে হয়। এটি ভারতসহ বিভিন্ন দেশে আছে।শুধু বাংলাদেশে এই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করা হচ্ছিল। সরকার এই আইন বাস্তবায়নের জন্য দুই বছর আগে সংশ্লিষ্টদের বলেছিল। তাগাদা দেওয়া হয়েছিল। সর্বশেষ গত মাসে সব পক্ষকে নিয়ে বসে ১ অক্টোবর থেকে এই আইন কার্যকরের সিদ্ধান্ত হয়।” কাজেই আমি মনে করি সরকার সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে যা আরও অনেক আগে হওয়া উচিত ছিলও।অনেকে না বুঝেই ভুল প্রচারণা করছে যে সরকার বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার আসলে ক্লিন ফিড সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থাৎ অনুষ্ঠানের ফাঁকে বিদেশি বিজ্ঞাপন প্রচারণা বন্ধের কথা বলছে, চ্যানেল বন্ধের কথা বলেনি। আমি এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। মাসুদ সেজান: এ ব্যাপারে বলতে গেলে তো আসলে অনেক কথাই বলা যায়। তবে যেহেতু বলেছেন সংক্ষেপে বলার জন্য, তো আপনার প্রশ্নের সূত্র ধরেই যদি বলি তাহলে বলব, আসলে কোন কিছু বন্ধ করে বা নিষিদ্ধ করে এর সঠিক সমাধান করা যায় না। যদি করাই যেতো তাহলে দর্শক আমাদের অনুষ্ঠান মালা আগে থেকেই দেখতো। আগে নিজের সন্তানকে বকা দিয়ে তারপর অন্যের সন্তানকে কোন কিছু বলতে হয়। দর্শক কিন্তু আগের মতো নেই এটা আমরাও জানি, আপনারাও জানেন। কিন্তু সেই অনুপাতে কি আমাদের কোনও অনুষ্ঠানের কি মান উন্নয়ন ঘটেছে? ঘটেনি বরং অনুষ্ঠানের মান খারাপ হয়েছে। তবে সব যে আবার খারাপ হয়েছে তাও কিন্তু নয়। ভালো অনেক অনুষ্ঠান হয়েছে। এখন বলি আসল কথা, যদি এই বন্ধের প্রভাবে বাজেট বাড়ে, নাটকের গুনগত মান বাড়ে, ভালো গল্প চিত্রনাট্য তৈরি হয়। মেধাবীরা কাজের জায়গা পায়, তাহলে অবশ্যই আমি এটার পক্ষে। কিন্তু এর আগেও তো বন্ধ করেছিল কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই আগের মতো হয়ে যায়। তো এমনটা এবার না করে বিকল্প কোন ভালো উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। যদি আইনের কথা বলেন তাহলে তা সঠিক ভাবেই প্রয়োগ করাটাই জরুরি। কয়েকদিন আইন মানা হলো আর পরে কয়েকদিন মানা হলো না, এটা করলে নিজেদেরই খারাপ হবে। আমার কাছে তাই মনে হয়। শামীমা তুষ্টি: আপনার এই প্রশ্নের ঠিক কি উত্তর দিবো, তা বুঝে উঠতে পারছি না। বলে তো আসলে কোন লাভ নেই। ডাবিং সিরিয়ালই তো বন্ধ হচ্ছেনা সেখানে ডাবিংকৃত বিজ্ঞাপনও কিন্তু চলে। তাই বন্ধে তেমন কোন প্রভাব পড়বে কি না বা ক্লিন ফিড এর মূল আইনটা বাস্তবায়ন হবে কি না সেটা নিয়ে কিন্তু দ্বিধাদ্বন্দ্ব থেকেই যায়। যার জন্য আসলে মাঝে মাঝে মনে হয় কিছুই লাভ হবে না। যাদের লাভ হবার তাদেরই লাভ হবে। মানে ব্যবসায়িক ভাবে যা ব্যবসা করবেন তাদেরই লাভ হবে হয়তো। আমি আসলে এ বিষয়ে অনেক অল্প জ্ঞানী, আমি কিছু বুঝলেও লাভ হবে না। তবে যদি মূল জায়গা ঠিক থাকে তাহলে এর ভালো দিকটা হয়তো আমরা সামনে দেখতে পাবো।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply