Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » হঠাৎ কেন পিছু হটলেন মোদি?




এক বছরের বেশি সময় ধরে আন্দোলন ও প্রাণহানির পর বিতর্কিত কৃষি আইন থেকে কেন পিছু হটলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই প্রশ্ন ভারতজুড়ে। এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এতদিন অনড় অবস্থানে থেকেও এখন মোদির পিছু হটার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন অনেকে। দেশটির রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, উত্তরপ্রদেশ এবং পাঞ্জাবে ভোটে জিততেই মোদির এ কৌশল। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন পাস করে ভারতের মোদি সরকার। বাজার উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে প্রণীত তিন কৃষি আইন পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশে অভূতপূর্ব বিক্ষোভের আগুন উসকে দিয়ে মোদির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ খাঁড়া করেছিল। শিখ সংখ্যাগরিষ্ঠ পাঞ্জাবে কৃষক ও সুশীল সমাজ রাজপথে নামলে তা উত্তর প্রদেশে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। দিল্লি ঘেরাও এবং ভারত বনধ-এর মতো কঠোর আন্দোলনেও মন ভেজেনি মোদি সরকারের। বরং বিক্ষোভকারীদের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতারা। অনড় মনোভাব দেখালেও নজিরবিহীন 'ধরা খাওয়া' বিজেপি শেষ পর্যন্ত আন্দোলকারীদের কাছে মাথা নত করল। হঠাৎ কেন অনড় সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসলেন মোদি। তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা আর বিশ্লেষণ। রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, মোদির এ সিদ্ধান্ত যেমন কৌশলী এক রাজনৈতিক চাল, তেমনি দেরিতে হলেও তাড়াহুড়া, একগুঁয়েমি ও আইন প্রণয়নে দূরদর্শিতার ঘাটতির প্রমাণ। তবে মোদির এমন সিদ্ধান্ত শক্তিশালী করবে ভারতের গণতন্ত্র। আরও পড়ুন: দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা তুঙ্গে অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ গিলেস ভার্নিয়ার বলেন, ভারতের বিধ্বস্ত গণতন্ত্রের জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এটা সত্য যে গণতান্তিক রাষ্ট্রে সবশেষে জনগণেরই জয় হয়। এটা তারই প্রমাণ। সরকার অনেক সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর চাপিয়ে দিতে চায়। তবে এক তরফাভাবে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে গেলে তারা বারবার ভাববে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব বৃদ্ধি ও মহামারীর কারণে ভঙ্গুর অর্থনীতি চাঙ্গা করার চেষ্টা। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ভালো না বিজেপি সরকারের। কৃষকরা বিক্ষুব্ধ, তার মধ্যে উত্তর প্রদেশে বিজেপির নেতাই কৃষকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার দায়ে অভিযুক্ত। পাঞ্জাবে স্থানীয় নির্বাচনের প্রচারণার সময় প্রচণ্ড বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন দলটির নেতারা। সামনের বছরই উত্তর প্রদেশ এবং পাঞ্জাবের বিধান নির্বাচন। সমালোচকরা বলছেন, নির্বাচনী জয় পেতেই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে বিজেপি। তবে এই চাল নির্বাচনে বিজেপিকে তেমন কোনো সুবিধা দেবে কিনা- তা নিয়ে অনেকে সন্দিহান। যত যাই হোক, পাঞ্জাবে বিজেপি সুবিধা খুব সামান্যই পাবে। ৪৮০ বিধায়কের পশ্চিমাঞ্চলীয় উত্তর প্রদেশে, যেখানে বিজেপি ৬০ থেকে ৮০ আসন জিতে, সেখানে দল কিছুটা সুফল ঘরে তুলতে পারে। উত্তর প্রদেশের আসনগুলোতে সম্ভাব্য ধস এভাবে ঠেকিয়ে নেতৃত্বস্থানীয় রাজ্যে 'সহজে' জেতার এবং দৃঢ় পদক্ষেপে ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আশা করছে বিজেপি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply